ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেনঃ বানী আদমের জন্য যদি এক উপত্যকা পরিমাণ ধনমাল থাকে, তবুও সে আরো ঐ পরিমাণ সম্পদের জন্য লালায়িত থাকবে। বানী আদামের চোখ মাটি ছাড়া আর কিছুতেই ভরবে না। তবে যে তাওবাহ করবে আল্লাহ্ তার তাওবাহ কবূল করবেন। ইব্নু ‘আব্বাস বলেন, সুতরাং আমি জানি না- এটি কুরআনের অন্তর্গত কিনা। তিনি বলেন, আমি ইবনুয যুবায়রকে এটা মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৯৪)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যদি বানী আদামের স্বর্ণ ভরা একটা উপত্যকা থাকে, তথাপি সে তার জন্য দু’টি উপত্যকা হওয়ার কামনা করবে। তার মুখ মাটি ব্যতীত অন্য কিছুতেই ভরবে না। তবে যে ব্যক্তি তাওবাহ করবে, আল্লাহ্ তার তাওবাহ কবূল করবেন। [১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৯৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যদি কোন আদম সন্তান একটি স্বর্ণের উপত্যকার মালিক হয়ে যায় তাহলে সে এরূপ আরেকটি উপত্যকা পেতে আকাঙ্ক্ষা করে। মাটি ছাড়া আর কিছুই তার পেট ভরাতে পারে না। আর যে ব্যাক্তি তাওবাহ করে আল্লাহ্ তা’আলা তার তাওবাহ কবূল করেন। (ই. ফা. ২২৮৫, ই. সে. ২২৮৬)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম সন্তান দু’ উপত্যকা ভর্তি সম্পদের অধিকারী হলেও সে এর সাথে তৃতীয়টি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। মাটি ছাড়া অন্য কিছু তার দেহ ভর্তি করতে পারে না। কোন ব্যক্তি তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন।[৩৫৬৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন আদম-সন্তানের অধীনে যদি দুই উপত্যকা ভর্তি স্বর্ণ থাকে তবুও সে তৃতীয় একটি স্বর্ণভর্তি উপত্যকা অর্জনের ইচ্ছা করবে। মাটি ব্যতীত অন্য কিছুই তার মুখ ভর্তি করতে পারবে না। যে লোক ত্বাওবাহ করে আল্লাহ্ তা’আলা তার ত্বাওবাহ ক্ববূল করেন। সহীহ্ , তাখরীজ মুশকিলাতুল ফাকরি (১৪), বুখারী, মুসলিম।