ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাকালা ও মুযাবানা নিষেধ করেছেন।
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উবাই ইব্নু কা‘ব (রাঃ) - কে বললেন, আল্লাহ "সূরা لَمْ يَكُنِ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ " তোমাকে পড়ে শুনানোর জন্য আমাকে আদেশ করেছেন। উবাই ইব্নু কা‘ব (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন আল্লাহ কি আমার নাম করেছেন? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হাঁ। তখন তিনি কেঁদে ফেললেন। (৪৯৫৯, ৪৯৬০, ৪৯৬১, মুসলিম ৬/৩৯, হাঃ নং ৭৯৯, আহমাদ ২১১৯৪ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩৪)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উবাই ইব্নু কা‘ব (রাঃ) বলেছিলেন, তোমাকে لَمْ يَكُنْ الَّذِينَ كَفَرُوا (সূরা) পড়ে শোনানোর জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আমাকে আদেশ করেছেন। উবাই ইব্নু কা‘ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কি আমার নাম উল্লেখ করে বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ; এ কথা শুনে উবাই ইব্নু কা‘ব (রাঃ) কাঁদতে লাগলেন। [৩৮০৯] (আ.প্র. ৪৫৯০, ই.ফা. ৪৫৯৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগের সংক্রমণ বলতে কিছু নেই এবং পাখি উড়াতে কোন শুভ-অশুভ নেই আর আমার নিকট ‘ফাল’ পছন্দনীয়। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ ‘ফাল’ কী? তিনি বললেনঃ ভাল কথা। [৫৭৫৬; মুসলিম ৩৯/৩৪, হাঃ ২২২৪, আহমাদ ১৩৯৫১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৪৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কাতাদাহ্-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৯১; ই.সে. ৪০৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাক্র(রাঃ), ‘উমার (রাঃ) ও ‘উসমান (রাঃ)-এর সাথে সলাত আদায় করেছি। আমি তাদের কাউকে ‘বিসমিল্লাহ-হির রহমা-নির রহীম” (সশব্দে) পড়তে শুনিনি। (ই. ফা. ৭৭৩, ই. সে. ৭৮৫)
মূসা ইবনু সালামাহ্ আল হুযালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি মাক্কায় অবস্থানকালে যদি ইমামের পিছনে সলাত আদায় না করি তাহলে কীভাবে সলাত আদায় করব। জবাবে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস বললেন, দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করবে। এটি আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত। (ই.ফা. ১৪৪৭, ই.সে ১৪৫৭)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) -এর মাধ্যমে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫৪৩, ই.সে.১৫৫০)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উবাই ইবনু কা’বকে লক্ষ করে বললেনঃ মহান আল্লাহ তোমার সামনে আমাকে (সূরাহ্) (আরবী) পড়ার জন্য আদেশ করেছেন। (এ কথা শুনে) উবাই ইবনু কা’ব বললেনঃ তিনি আপনার কাছে আমার নাম উল্লেখ করে বলেছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি (হাদীসের বর্ণনাকারী আনাস ইবনু মালিক) বলেন, এ কথা শুনে তিনি (উবাই ইবনু কা’ব) কেঁদে ফেললেন। (ই.ফা.১৭৩৫, ই.সে.১৭৪২)
মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ২১৭২, ই.সে. ২১৭৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ রাবী বলেন, তবে আমি সঠিক বলতে পারব না যে, তাঁর উপর এ কথাগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল, না তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেছিলেন। এ সূত্রে বর্ণিত হাদীস উপরোল্লেখিত আবূ ‘আওয়ানার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮৪, ই.সে. ২২৮৫)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আর একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়্যাহ্।” (ই. ফা. ২৩৫৬, ই. সে. ২৩৫৬)
ইবনু ইয়া’লা (রা.)-এর সূত্রে নাবী (সঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ইয়া’লা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২২০, ই.সে. ৪২২০)
আবূ তাইয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৪৭০২, ই.সে. ৪৭০৩)
‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বারণ করেছেন অথবা নিষেধ করেছেন। অতঃপর রাবী হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৫৩১৫, ই.সে. ৫৩৩১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -এর সানাদে মালিক (রহঃ) -এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সংক্রমণ ও কুলক্ষণ(এর বৈধতা) নেই। তবে আমাকে আনন্দ দেয় ফাল ও সুলক্ষণ। বর্ণনাকারী বলেন, তখন বলা হলো, ফাল কী? তিনি বললেন, উত্তম কথা। (ই.ফা. ৫৬০৭, ই.সে. ৫৬৩৬)
আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা.৬১৯৪, ই.সে. ৬২৪০)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে হুবহু এ হাদীস নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৬৪৭৬, ই.সে. ৬৫২৮)
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪৯৩, ই.সে. ৬৫৪৫)
‘উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫৭৭, ই.সে. ৬৬৩১)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫৯৪, ই.সে. ৬৬৪৬)
সিমাক ইবনু হার্ব (রহ:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি আবূ আওয়ানাহ্ (রহ:)-এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৭০৬৮, ই.সে. ৭১২২)
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর কোরবানীর পশুর পাঁজরের উপর পা দিয়ে চেপে ধরে স্বহস্তে কোরবানী করতে দেখেছি। [৩১৫৫]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেসব পোশাক পরতেন তার মধ্যে আঁচলবিশিষ্ট (ইয়ামানী) চাদর তাঁর নিকট সবচাইতে বেশি পছন্দের ছিল। সহীহ্, মুখতাসার শামা-ইল মুহাম্মাদীয়া (৫১), নাসা-ঈ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সোনার আংটি পরতে নিষেধ করেছেন।