সহিহ বুখারী অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->মুযাবানা পদ্ধতিতে কেনা-বেচা। অর্থাৎ গাছের খেজুরের বদলে শুকনো খেজুর, রসালো আঙ্গুরের পরিবর্তে শুকনো আঙ্গুর এবং ধারে বিক্রয় করা। হাঃ-২১৮৭

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাকালা ও মুযাবানা নিষেধ করেছেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->উবাই ইব্‌নু কা‘ব (রাঃ) - এর মর্যাদা। হাঃ-৩৮০৯

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উবাই ইব্‌নু কা‘ব (রাঃ) - কে বললেন, আল্লাহ "সূরা لَمْ يَكُنِ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ " তোমাকে পড়ে শুনানোর জন্য আমাকে আদেশ করেছেন। উবাই ইব্‌নু কা‘ব (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন আল্লাহ কি আমার নাম করেছেন? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হাঁ। তখন তিনি কেঁদে ফেললেন। (৪৯৫৯, ৪৯৬০, ৪৯৬১, মুসলিম ৬/৩৯, হাঃ নং ৭৯৯, আহমাদ ২১১৯৪ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩৪)


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->পরিচ্ছেদ নাই। হাঃ-৪৯৫৯

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উবাই ইব্‌নু কা‘ব (রাঃ) বলেছিলেন, তোমাকে لَمْ يَكُنْ الَّذِينَ كَفَرُوا (সূরা) পড়ে শোনানোর জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আমাকে আদেশ করেছেন। উবাই ইব্‌নু কা‘ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কি আমার নাম উল্লেখ করে বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ; এ কথা শুনে উবাই ইব্‌নু কা‘ব (রাঃ) কাঁদতে লাগলেন। [৩৮০৯] (আ.প্র. ৪৫৯০, ই.ফা. ৪৫৯৫)


সহিহ বুখারী অঃ->চিকিৎসা বাব->রোগের সংক্রমণ বলতে কিছু নেই। হাঃ-৫৭৭৬

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগের সংক্রমণ বলতে কিছু নেই এবং পাখি উড়াতে কোন শুভ-অশুভ নেই আর আমার নিকট ‘ফাল’ পছন্দনীয়। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ ‘ফাল’ কী? তিনি বললেনঃ ভাল কথা। [৫৭৫৬; মুসলিম ৩৯/৩৪, হাঃ ২২২৪, আহমাদ ১৩৯৫১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৪৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন হাঃ-৩৮৫

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কাতাদাহ্‌-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৯১; ই.সে. ৪০৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->‘বিসমিল্লাহ’ সশব্দে না পড়ার পক্ষে দলীল হাঃ-৭৭৬

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাক্‌র(রাঃ), ‘উমার (রাঃ) ও ‘উসমান (রাঃ)-এর সাথে সলাত আদায় করেছি। আমি তাদের কাউকে ‘বিসমিল্লাহ-হির রহমা-নির রহীম” (সশব্দে) পড়তে শুনিনি। (ই. ফা. ৭৭৩, ই. সে. ৭৮৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->মুসাফিরদের সলাত এবং তার ক্বস্‌র (সংক্ষিপ্ত করা) হাঃ-১৪৬২

মূসা ইবনু সালামাহ্‌ আল হুযালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি মাক্কায় অবস্থানকালে যদি ইমামের পিছনে সলাত আদায় না করি তাহলে কীভাবে সলাত আদায় করব। জবাবে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস বললেন, দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করবে। এটি আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত। (ই.ফা. ১৪৪৭, ই.সে ১৪৫৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->যুহার সলাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাক‘আত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাক‘আত, মধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান হাঃ-১৫৫৮

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) -এর মাধ্যমে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫৪৩, ই.সে.১৫৫০)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->বিশিষ্ট ও দক্ষ লোকদেরকে কুরাআন তিলাওয়াত করে শোনানো মুস্তাহাব, তিলাওায়াতকারী শ্রোতার চেয়ে শ্রেষ্ঠ হলেও হাঃ-১৭৫০

আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উবাই ইবনু কা’বকে লক্ষ করে বললেনঃ মহান আল্লাহ তোমার সামনে আমাকে (সূরাহ্‌) (আরবী) পড়ার জন্য আদেশ করেছেন। (এ কথা শুনে) উবাই ইবনু কা’ব বললেনঃ তিনি আপনার কাছে আমার নাম উল্লেখ করে বলেছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি (হাদীসের বর্ণনাকারী আনাস ইবনু মালিক) বলেন, এ কথা শুনে তিনি (উবাই ইবনু কা’ব) কেঁদে ফেললেন। (ই.ফা.১৭৩৫, ই.সে.১৭৪২)


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->যারা যাকাত আদায় করবে না তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেয়া হাঃ-২১৯৩

মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ২১৭২, ই.সে. ২১৭৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->আদাম সন্তানের যদিও সম্পদের দু’টি উপত্যকা থাকে তবু সে তৃতীয়টি অনুসন্ধান করবে হাঃ-২৩০৬

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ রাবী বলেন, তবে আমি সঠিক বলতে পারব না যে, তাঁর উপর এ কথাগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল, না তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেছিলেন। এ সূত্রে বর্ণিত হাদীস উপরোল্লেখিত আবূ ‘আওয়ানার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮৪, ই.সে. ২২৮৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় হাঃ-২৩৭৮

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আর একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়্যাহ্।” (ই. ফা. ২৩৫৬, ই. সে. ২৩৫৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->‘কাসামাহ’ (খুনের ব্যপারে হলফ করা), ‘মুহারিবীন’ (শত্রু সৈন্য), ‘কিসাস” (খুনের বদলা) এবং ‘দিয়াত’ (খুনের শাস্তি স্বরূপ জরিমানা) বাব->যখন কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির জীবন অথবা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর আক্রমণ করে, তখন যদি আক্রান্ত ব্যক্তি তা প্রতিহত করে এবং প্রতিহত করার সময় আঘাতকারীর জীবন অথবা অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে, তবে এর জন্য তাকে কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না হাঃ-৪২৫৯

ইবনু ইয়া’লা (রা.)-এর সূত্রে নাবী (সঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ইয়া’লা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২২০, ই.সে. ৪২২০)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ঘোড়ার কপালে কিয়ামাত পর্যন্ত কল্যাণ থাকবে হাঃ-৪৭৪৯

আবূ তাইয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৪৭০২, ই.সে. ৪৭০৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->পোশাক ও সাজসজ্জা বাব->মধ্যমা ও তার সাথের (শাহাদাত) আঙ্গুলে আংটি পরার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৫৩৮৫

‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বারণ করেছেন অথবা নিষেধ করেছেন। অতঃপর রাবী হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৫৩১৫, ই.সে. ৫৩৩১)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাম বাব->অশুভ লক্ষণ, সুলক্ষণ ও সম্ভব্য অপয়া বিষয়বস্তুর বিবরণ হাঃ-৫৬৯৪

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -এর সানাদে মালিক (রহঃ) -এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সংক্রমণ ও কুলক্ষণ(এর বৈধতা) নেই। তবে আমাকে আনন্দ দেয় ফাল ও সুলক্ষণ। বর্ণনাকারী বলেন, তখন বলা হলো, ফাল কী? তিনি বললেন, উত্তম কথা। (ই.ফা. ৫৬০৭, ই.সে. ৫৬৩৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আনসারগণের উত্তম গৃহসমূহ। হাঃ-৬৩১৬

আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা.৬১৯৪, ই.সে. ৬২৪০)


সহিহ মুসলিম অঃ->সদ্ব্যবহার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও শিষ্টাচার বাব->যাকে যে মানুষ ভালবাসে সে তার সাথেই থাকবে হাঃ-৬৬১০

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ)-এর সানাদে হুবহু এ হাদীস নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৬৪৭৬, ই.সে. ৬৫২৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->তাকদীর বাব->মায়ের উদরে মানুষের সৃষ্টি রহস্য, তার ভাগ্যের রিয্‌ক, মুত্যুস্থান, ‘আমাল, হতভাগ্য ও সৌভাগ্য লিপিবদ্ধকরণ হাঃ-৬৬২৭

‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪৯৩, ই.সে. ৬৫৪৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->যারা আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আল্লাহ তাদের সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আর যারা আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না আল্লাহও তাদের সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না হাঃ-৬৭১৪

‘উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫৭৭, ই.সে. ৬৬৩১)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->দুনিয়াতে শাস্তি কার্যকরের জন্য দু‘আ করা অপছন্দনীয় হাঃ-৬৭৩১

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫৯৪, ই.সে. ৬৬৪৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফিতনাসমুহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী বাব->কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, এমনকি এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে মুসীবাতের কারণে মৃত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার কামনা করবে হাঃ-৭২২২

সিমাক ইবনু হার্‌ব (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) হতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি আবূ আওয়ানাহ্‌ (রহ:)-এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৭০৬৮, ই.সে. ৭১২২)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কোরবানি বাব->কোরবানীর পশু স্বহস্থে যবেহ করা উত্তম হাঃ-৩১৫৫

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর কোরবানীর পশুর পাঁজরের উপর পা দিয়ে চেপে ধরে স্বহস্তে কোরবানী করতে দেখেছি। [৩১৫৫]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পছন্দনীয় পোশাক হাঃ-১৭৮৭

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেসব পোশাক পরতেন তার মধ্যে আঁচলবিশিষ্ট (ইয়ামানী) চাদর তাঁর নিকট সবচাইতে বেশি পছন্দের ছিল। সহীহ্‌, মুখতাসার শামা-ইল মুহাম্মাদীয়া (৫১), নাসা-ঈ


সুনান নাসাঈ অঃ->সাজসজ্জা বাব->স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করা নিষেধ হাঃ-৫২৭৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সোনার আংটি পরতে নিষেধ করেছেন।