‘আওফ ইবনু মালিক (রহ:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা সাতজন অথবা আটজন অথবা নয়জন রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বাই’আত গ্রহণ করবে না? অথচ আমরা কয়েকদিন আগেই বাই’আত নিয়েছি, তাই আমরা বললাম, আমরা তো আপনার কাছে বাই’আত হয়েছি। এমনকি তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। অতঃপর আমরা আমাদের হাত প্রসারিত করে বাই’আত গ্রহণ করলাম। একজন বললেন, হে আল্লাহর রসূল ! আমরা তো বাই’আত করেছি, তাহলে এখন আবার কিসের উপর বাই’আত হবো? তিনি বললেনঃ তোমরা এক আল্লাহর ‘ইবাদত করবে, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না, পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করবে এবং আমীরের কথা শুনবে ও তার আনুগত্য করবে। তিনি সংক্ষেপে নিচু স্বরে বললেনঃ মানুষের কাছে কিছু সওয়াল করবে না। বর্ণনাকারী বলেন, এদের কেউই (সফরে) একটি ছড়ি নীচে পড়ে গেলেও অন্যকে তা তুলে দিতে অনুরোধ করেননি। (১৬৪২) সহীহ : মুসলিম।
ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গাছসমূহের মধ্যে এমন একটি গাছ আছে যার পাতা কখনো ঝরে না। সেটিই মুমিনের উদাহরণ। তোমরা আমাকে বল, সেটা কোন গাছ? আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, সকলেই ধারণা করতে লাগল পাহাড়ী অথবা জংলী গাছ হবে কিন্তু আমার মনে হল সেটা নিশ্চই খেজুর গাছ। অবশেষে রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেটা খেজুর গাছ। অথচ আমি সেটা বলতে লজ্জা পাচ্ছিলাম (বয়সে ছোট হবার কারণে তা বলিনি)। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি উমর (রাঃ)-এর নিকট আমার মনের ধারণা প্রকাশ করলাম। তিনি বললেন, তুমি যদি সেই কথাটা বলে দিতে তাহলে সেটা আমার নিকট এত এত সম্পদের চাইতেও অধিক প্রিয় হতো। সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।
আওফ ইব্ন মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট ছিলাম। তিনি বললেন: তোমরা কি আল্লাহ্র রাসূলের নিকট বায়আত গ্রহণ করবে না? এ কথাটি তিনি তিনবার বলেন। আমরা হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম। তারপর আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা তো পূর্বেই আপনার নিকট বায়‘আত হয়েছি, তবে এ বায়আত কোন বিষয়ের উপর? তিনি বললেন: এ বায়আত হলো এ কথার উপর যে, তোমরা আল্লাহ্র ইবাদত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে। তারপর আস্তে করে মৃদু স্বরে বললেন: মানুষের নিকট কিছু চাইবে না।