সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->সওম পালনকারীর জন্য রাইয়্যান । হাঃ-১৮৯৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কেউ আল্লাহ্‌র পথে জোড়া জোড়া ব্যয় করবে তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ হতে ডাকা হবে, হে আল্লাহ্‌র বান্দা! এটাই উত্তম। অতএব যে সালাত আদায়কারী, তাকে সলাতের দরজা হতে ডাকা হবে। যে মুজাহিদ, তাকে জিহাদের দরজা হতে ডাকা হবে। যে সিয়াম পালনকারী, তাকে রাইয়্যান দরজা হতে ডাকা হবে। যে সদাকাহ দানকারী, তাকে সদাকাহ্‌র দরজা হতে ডাকা হবে। এরপর আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক, সকল দরজা হতে কাউকে ডাকার কোন প্রয়োজন নেই, তবে কি কাউকে সব দরজা হতে ডাকা হবে? আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। আমি আশা করি তুমি তাদের মধ্যে হবে।


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাম বাব->সংক্রমণ, কুলক্ষণ, হামাহ্, অনাহারে পেট কামড়ানো কীট, নক্ষত্রের প্রভাবে বর্ষণ ও পথ বিভ্রমের ভূত-প্রেতের অস্তিত্ব নেই; তবে অসুস্থ উটের মালিক তার উট সুস্থ উটের কাছে নিয়ে আসবে না হাঃ-৫৬৮১

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(এ হাদীস সে সময়ের) যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: সংক্রমণ ব্যাধি, ক্ষুধায় পেট কামড়ানো পোকা (বা সফর মাসের অগ্রপশ্চাৎকরণ) ও মৃত মানুষের আত্না হতে পেঁচার জন্ম বলতে কিছু নেই। সে সময় জনৈক বেদুঈন বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তাহলে সে উট পালের কি অবস্থা, যা কোন বালুকাময় ভূমিতে থাকে যা ব্যাধিমুক্ত বলবান। অতঃপর সেখানে খোচ-পাঁচড়া আক্রান্ত (কোন) উট এসে তাদের মধ্য প্রবেশ করে তাদের সবগুলোকে পাঁচড়ায় আক্রান্ত করে দেয়? তিনি বললেন, তাহলে প্রথম (উট) টিকে কে সংক্রমিত করেছিল? (ই. ফা. ৫৫৯৪, ই. সে. ৫৬২৩)


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাওম (রোযা) পালনকারীর ফযীলত সম্পর্কে আবূ উসামা (রাঃ)-এর হাদীসে মুহাম্মদ ইব্‌ন আবূ ইয়াকূব (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্য উল্লেখ হাঃ-২২৩৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক জোড়া (ভাল জিনিস) দান করবে তাকে কিয়ামতের দিন ডাকা হবে, হে আল্লাহর বান্দা! তোমার এ দানটা কতই না ভালো। যে ব্যক্তি সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ে অভ্যস্ত হবে তাকে সালাতের দরজা দিয়ে ডাকা হবে, আর যে ব্যক্তি জিহাদে অভ্যস্ত হবে তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে যে ব্যক্তি দান খয়রাতে অভ্যন্ত হবে তাকে দান খয়রাতের দরজা দিয়ে ডাকা হবে আর যে ব্যক্তি সাওম (রোযা) পালনে অভ্যস্ত হবে তাকে রায়্যান নামক দরজা দিয়ে ডাকা হবে। তখন আবূ বকর সিদ্দিক (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌! কাউকে এক যোগে এই সমুদয় দরুজা দিয়ে ডাকার কোন প্রয়োজন নেই। তাই কাউকে কি এই সমুদয় দরজা দিয়ে এক যোগে ডাকা হবে? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘হ্যাঁ এবং আমি আশা করি যে, আপনি সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তিদের অন্যতম হবেন’।