সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহর বাণীঃ হাঃ-৪৮১০

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুশরিকদের কিছু লোক বহু হত্যা করে এবং বেশি বেশি ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। তারপর তারা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এল এবং বলল, আপনি যা বলেন এবং আপনি যেদিকে আহ্বান করেন, তা অতি উত্তম। আমাদের যদি অবগত করতেন, আমরা যা করেছি, তার কাফ্ফারা কী? এর প্রেক্ষাপটে অবতীর্ণ হয় ‘এবং যারা আল্লাহ্‌র সঙ্গে অন্য কোন ইলাহ্কে ডাকে না, আল্লাহ্ যাকে হত্যা করা নিষেধ করেছেন, তাকে না-হক হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। আরো অবতীর্ণ হল ঃ “হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অন্যায় করে ফেলেছ, আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না।” [মুসলিম ১/৫৪, হাঃ ১২২] (আ.প্র. ৪৪৪৬, ই.ফা. ৪৪৪৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->হত্যা অবৈধ হওয়া বাব->হত্যা করা কঠিন অপরাধ হাঃ-৪০০৩

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আরবের এক দল লোক বহু নরহত্যা করে, ব্যাপকভাবে যিনা করে এবং নানা রকম আন্যায় অপরাধ করে, তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলোঃ হে মুহাম্মদ! আপনি যা বলেন এবং যেদিকে আমাদের আহ্বান করেন, তা অতি উত্তম। তবুও বলুন, আমরা যা করেছি তার কি কোন প্রায়শ্চিত্ত আছে? তখন আল্লাহপাক নাযিল করলেনঃ [আরবি] অর্থঃ যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন মা’বূদকে না ডাকে, তবে তাদের গুনাহসমূহকে আল্লাহ্ নেকীতে রূপান্তর করবেন, আর যিনাকে পবিত্রতায় রূপান্তরিত করবেন (২৫: ৬৮-৭০)। এবং আরও নাযিল করেনঃ [আরবি] অর্থঃ তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, তোমারা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না (৪০: ৫৩)।


সুনান নাসাঈ অঃ->হত্যা অবৈধ হওয়া বাব->হত্যা করা কঠিন অপরাধ হাঃ-৪০০৪

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কয়েকজন মুশরিক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে এসে বললেনঃ আপনি যা বলেন এবং যেদিকে আমাদের আহ্বান করেন, তা অতি উত্তম। আচ্ছা বলুন তো, আমরা যা করছি তার কাফফারা আছে কি? তখন আল্লাহপাক নাযিল করেনঃ [আরবি] (ফুরকান: ৬৮-৭০) এবং [আরবি] (৩৯: ৫৩)।