সহিহ বুখারী অঃ->আল্লাহ্‌দ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবার প্রতি আহ্বান ও তাদের সাথে যুদ্ধ বাব->যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র সঙ্গে শিরক করে তার গুনাহ এবং দুনিয়া ও আখিরাতে তার শাস্তি। আল্লাহ্‌ বলেনঃ নিশ্চয়ই শির্‌ক বিরাট জুল্‌ম- (সূরা লুক্বমান ৩১/১৩)। তুমি আল্লাহ্‌র শরীক স্থির করলে তোমার কর্ম তো বিফল হবে এবং তুমি হবে ক্ষতিগ্রস্ত (সূরা আয্‌-যুমার ৩৯/৬৫)। হাঃ-৬৯২১

ইব্‌নু মাস্‌‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি জাহিলী যুগের কাজ কর্মের জন্য পাকড়াও হবো? তিনি বললেনঃ যে লোক ইসলামী যুগে সৎ কাজ করবে সে জাহিলী যুগের কাজ কর্মের জন্য পাকড়াও হবেনা। আর যে ইসলাম কবুলের পর অসৎ কাজ করবে, সে প্রথম ও পরবর্তীর জন্য (উভয় সময়ের কৃতকর্মের জন্য) পাকড়াও হবে। [১২৩][মুসলিম ১/৫৩, হাঃ ১২০, আহমাদ ৩৬০৪, ৩৮৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->জাহিলী যুগের ‘আমালের ব্যাপারেও কি পাকড়াও হবে? হাঃ-২১৮

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রশ্ন করলাম- হে আল্লাহর রসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি এর জন্যও কি আমাদের পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে ভাল কাজ করবে জাহিলী যুগে সে কি করেছে তার জন্য পাকড়াও করা হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলাম গহণের পর মন্দ কাজ করে তাকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পাকড়াও করা হবে। (ই.ফা. ২১৯; ই.সে. ২২৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি বাব->পাপের স্মরণ হাঃ-৪২৪২

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি, সে সম্পর্কে কি আমাদের জবাবদিহি করতে হবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যারা ইসলাম গ্রহনের পর ভাল কাজ করেছে তাদেরকে জাহিলী যুগের কৃতকর্ম সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে, তাকে পূর্বাপর সকল কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। [৩৫৭৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।