আবূ বুরদার পিতা (আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘উমর (রাঃ) আহত হলেন, তখন সুহাইব (রাঃ) হায়! আমার ভাই! বলতে লাগলেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, তুমি কি অবহিত নও যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জীবিতদের কান্নার কারণে অবশ্যই মৃতদের ‘আযাব দেয়া হয়?
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাফ্সাহ্ (রাঃ) ‘উমারের জন্য (ঘাতক কর্তৃক আহত হলে) কাঁদছিলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে স্নেহের কন্যা! তুমি কি জান না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১১, ই.সে. ২০১৮)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘উমার (রাঃ) গুরুতরভাবে আহত হন, সুহায়ব (রাঃ) আক্ষেপ করে বলতে লাগলেন, আহ! ভাই ‘উমার! ‘উমার (রাঃ)তাঁকে বললেন, হে সুহায়ব! তোমার কি মনে নেই, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে জীবিতদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়? (ই.ফা. ২০১৪, ই.সে. ২০২১)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার বংশধরের কান্নাকাটির দরুন ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০২০, ই.সে. ২০২৭)