সহিহ মুসলিম অঃ->সূর্যগ্রহণের বর্ণনা বাব->সূর্যগ্রহণের সলাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সলাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে হাঃ-২০০৩

আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় আমি তীর নিক্ষেপ করেছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ লাগল। তখন আমি এগুলো ফেলে রেখে মনে মনে ভাবলাম, আজ সূর্যগ্রহণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নতুন কিছু প্রকাশ পায় কিনা তা অবশ্যই দেখব। আমি তাঁর কাছে পৌঁছে গেলাম। এ সময়ে তিনি দু’ হাত উঠিয়ে দু‘আ করছিলেন এবং তাকবীর (আল্ল-হু আকবার), তাহমীদ (আল হাম্‌দুলিল্লা-হ) ও তাহলীলে (লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ) মশগুল ছিলেন। অবশেষে সূর্য পরিষ্কার হয়ে গেল। এরপর তিনি দু’টি সূরাহ্‌ পাঠ করলেন এবং দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১৯৮৭, ই.সে. ১৯৯৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাতুল ইসতিস্‌কা (বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত) বাব->যিনি বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় দু’ রাক’আত সলাত আদায় করবে হাঃ-১১৯৫

‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবদ্দশায় একটি জায়গাতে আমি তীর চালনা শিখছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ হলে আমি তীরগুলো ফেলে দিয়ে বলি, আজ সূর্যগ্রহণের দরুন রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য কি ঘটে, তা অবশ্যই স্বচক্ষে দেখবো। আমি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলাম, তিনি দু’হাত উঠিয়ে তাসবীহ, তাহমীদ, কালিমাহ ও দু’আ পাঠরত আছেন। অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে গেল। তিনি দু’টি সূরার দ্বারা দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলেন। সহীহঃ মুসলিম সংক্ষেপে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ বাব->সূর্য গ্রহণের সময় তাসবীহ, তাকবীর এবং দোয়া করা হাঃ-১৪৬০

আব্দুর রহমান ইব্‌ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মদীনায় আমার তীর মারছিলাম, ইতিমধ্যে সূর্যের গ্রহণ লেগে গেল। তখন আমি আমার তীরসমূহ একত্রিত করলাম এবং বললাম, আজ আমি অবশ্যই লক্ষ্য করব যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য গ্রহণ সম্পর্কে কি নতুন বক্তব্য রাখেন। অতএব, আমি তাঁর পিঠের কাছাকাছি আসলাম। তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। তিনি তাসবীহ, তাকবীর এবং দোয়া করতে লাগলেন, ইত্যবসরে সূর্য গ্রহণ কেটে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি দাঁড়ালেন এবং দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন, চারটি সিজদা করলেন।