‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু যায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের জন্য ঈদগাহের উদ্দেশে বের হলেন। তিনি যখন দু’আ করলেন অথবা দু’আ করার ইচ্ছা করলেন তখন কিব্লামুখী হলেন এবং তাঁর চাদর উল্টিয়ে নিলেন। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, এ (হাদীসের বর্ণনাকারী) ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু যায়দ মাযিন গোত্রীয়। পূর্বের হাদীসের বর্ণনাকারী হলেন কুফী এবং তিনি ইব্নু ইয়াযীদ।
আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আল মাযিনী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের নির্ধারিত স্থানে চলে গেলেন এবং তথায় পৌঁছে ইস্তিস্ক্বার সলাত আদায় করলেন। যখন ক্বিবলামুখী হলেন, তিনি তাঁর চাদরটা উল্টিয়ে নিলেন। (ই.ফা. ১৯৪০, ই.সে. ১৯৪৭)
‘আব্বাদ ইবনু তামীম (রাঃ) থেকে তাঁর চাচার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ইস্তিস্ক্বার দু‘আ করলেন এবং ক্বিবলামুখী হয়ে তাঁর চাদরটা উল্টিয়ে দিলেন। অতঃপর দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১৯৪১, ই.সে. ১৯৪৮)
আব্বাদ ইব্ন তামীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইব্ন যায়দ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, (একবার) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে বৃষ্টির জন্য দোয়া করলেন এবং কিবলামুখী হওয়ার সময় তাঁর চাদর উল্টিয়ে দিলেন।
আব্দুল্লাহ ইব্ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইস্তিস্কার উদ্দেশ্যে বের হয়ে কিবলামুখী হয়ে দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন।
‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ আল-মাযিনী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ আল-মাযিনী (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদগাহে গিয়ে ইসতিস্কার সালাত আদায় করলেন। তিনি ক্বিবলাহমুখী হওয়ার সময় স্বীয় চাদরখানা উল্টিয়ে নিলেন। সহীহঃ মুসলিম।
হিশাম ইবনু ইস্হাক ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কিনানাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, রসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইসতিকার সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে আল-ওয়ালীদ ইবনু ‘উতবাহ আমাকে ইবনু ‘আব্বাসের নিকট পাঠালেন। ‘উসমান ইবনু ‘উক্ববাহ বলেন, ওয়ালীদ ইবনু ‘উতবাহ তখন মাদীনাহ্র গভর্ণর ছিলেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরাতন বেশভূষায় ভয় ও বিনয়ী অবস্থায় বের হয়ে ঈদগাহে গেলেন। অতঃপর তিনি মিম্বারে উঠেন এবং প্রচলিত নিয়মে খুত্ববাহ না দিয়ে তিনি সারাক্ষণ কাকুতি-মিনতি, দু’আ ও তাকবীর পাঠেরত ছিলেন। অতঃপর তিনি ঈদের সলাতের মত দু' রাক’আত সলাত আদায় করেন।