সহিহ বুখারী অঃ->যাকাত বাব->ফিরিয়ে দেয়ার পূর্বেই সদকা করা হাঃ-১৪১১

হারিসা ইব্‌নু অহব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা সদকা কর, কেননা তোমাদের ওপর এমন যুগ আসবে যখন মানুষ আপন সদকা নিয়ে ঘুরে বেড়াবে কিন্তু তা গ্রহণ করার মত কাউকে পাবে না। (যাকে দাতা দেয়ার ইচ্ছা করবে সে) লোকটি বলবে, গতকাল পর্যন্ত নিয়ে আসলে আমি গ্রহণ করতাম। আজ আমার আর কোন প্রয়োজন নেই।


সহিহ বুখারী অঃ->যাকাত বাব->ডান হাতে সদকা প্রদান করা হাঃ-১৪২৪

হারিসা ইব্‌নু অহব খুযা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা সদকা কর। কেননা অচিরেই তোমাদের উপর এমন সময় আসবে, যখন মানুষ সদকার মাল নিয়ে ঘুরে বেড়াবে, তখন এক ব্যক্তি বলবে, গতকাল নিয়ে এলে অবশ্যই গ্রহণ করতাম কিন্তু আজ এর কোন প্রয়োজন আমার নেই।


সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->তোমরা সাদাকা কর। হাঃ-৭১২০

হারিসা ইব্‌নু ওয়াহ্‌ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা সাদাকা কর। কেননা, শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে যে মানুষ সদাকাহ নিয়ে ঘোরাফেরা করবে কিন্তু সদাকাহ গ্রহণ করে এমন কাউকে পাবে না। মুসাদ্দাদ (রহঃ) বলেন, হারিসা 'উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু 'উমার (রাঃ)-এর বৈপিত্রেয় ভাই। [১৬৪](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->যে সময় সদাক্বাহ্‌ গ্রহণকারী পাওয়া যাবে না সে সময় আসার পূর্বে দান করার প্রতি উৎসাহিত করা প্রসঙ্গে হাঃ-২২২৭

হারিসাহ্ ইবনু ওয়াহ্ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা সদাক্বাহ্ দাও, এমন এক সময় আসবে মানুষ তার সদাক্বাহ্ নিয়ে যাকে দিতে যাবে সে বলবে, যদি তুমি গতকাল আসতে তাহলে আমি এটা গ্রহণ করতাম। এখন আমার আর প্রয়োজন নেই। অতঃপর সে সদাক্বাহ্ নেয়ার মতো কোন লোক পাবে না। (ই.ফা. ২২০৬, ই.সে.২২০৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->দু’ ঈদের সলাতে খুতবা। হাঃ-১২৮৮

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদের দিন বের হতেন এবং লোকদের নিয়ে দু’ রাকআত সালাত আদায় করতেন, তারপর সালাম ফিরাতেন। এরপর তিনি তার উভয় পায়ের উপর দাঁড়িয়ে উপবিষ্ট লোকদের দিকে মুখ করে বলতেন : তোমরা দান-খয়রাত করো, তোমরা দান-খয়রাত করো। দান-খয়রাতকারীদের অধিকাংশই ছিল মহিলা। তারা কানবালা, আংটি ও অন্যান্য জিনিস দান করেন। তিনি যদি কোথাও সামরিক বাহিনী প্রেরণ করা জরুরী মনে করতেন, তাহলে তাদের উদ্দেশ্যে সে সম্পর্কে আলোচনা করতেন, অন্যথায় ফিরে আসতেন। [১২৮৮]


সুনান নাসাঈ অঃ->উভয় ঈদের সালাত বাব->খুৎবা পাঠকালীন ইমামের মানুষের ‍দিকে মুখ করে দাঁড়ানো হাঃ-১৫৭৬

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদুল ফিত্‌র এবং ঈদুল আযহার দিনে ঈদগাহের দিকে বের হতেন এবং মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। যখন দ্বিতীয় রাকআতে বসতেন এবং সালাম ফিরাতেন। তখন দাঁড়িয়ে যেতেন ও মানুষের দিকে মুখ করে নিতেন আর লোকজন বসা থাকত। যদি তাঁর কোথাও কোন সৈন্য বাহিনী প্রেরনের প্রয়োজন দেখা দিত, তিনি তা মানুষের সামনে প্রকাশ করতেন। অন্যথায় তাদেরকে দান খয়রাতের আদেশ দিতেন। তিনি তিনবার বলতেন, তোমরা দান খয়রাত কর। অধিকাংশ দান খয়রাতকারিণী হত মহিলাগণ।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->সাদাকা করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হাঃ-২৫৫৫

হারিসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা সাদাকা কর। কেননা তোমাদের সামনে এমন এক সময় আসবে যখন কেউ সাদাকা নিয়ে তা দেওয়ার জন্য ঘুরতে থাকবে এবং যাকে দিতে চাইবে সে বলবে, তুমি যদি এগুলো গতকাল আনতে তাহলে আমি গ্রহন করতাম। আজ তো আমার (এগুলোর কোন প্রয়োজন নেই)।