সহিহ বুখারী অঃ->দুই ঈ’দ বাব->পায়ে হেঁটে বা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘ঈদের জামা’আতে যাওয়া এবং আযান ও ইক্বামাত ব্যতীত খুত্বা্র পূর্বে সালাত আদায় করা। হাঃ-৯৫৮

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ঈদুল ফিত্‌রের দিন বের হন। অতঃপর খুত্‌বা্‌র পূর্বে সালাত শুরু করেন।


সহিহ বুখারী অঃ->দুই ঈ’দ বাব->পায়ে হেঁটে বা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘ঈদের জামা’আতে যাওয়া এবং আযান ও ইক্বামাত ব্যতীত খুত্বা্র পূর্বে সালাত আদায় করা। হাঃ-৯৫৯

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাবী বলেন, আমাকে ‘আতা (রহঃ) বলেছেন যে, ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) এর বায়’আত গ্রহণের প্রথম দিকে ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) তাঁর কাছে এ বলে লোক পাঠালেন যে, ‘ঈদুল ফিত্‌রের সালাতে আযান দেয়া হতো না এবং খুত্‌বা হল সালাতের পরে।


সহিহ বুখারী অঃ->দুই ঈ’দ বাব->পায়ে হেঁটে বা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘ঈদের জামা’আতে যাওয়া এবং আযান ও ইক্বামাত ব্যতীত খুত্বা্র পূর্বে সালাত আদায় করা। হাঃ-৯৬০

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) ও জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘ঈদুল ফিতরের সালাতে কিংবা ‘ঈদুল আযহার সালাতে আযান দেয়া হত না।


সহিহ বুখারী অঃ->দুই ঈ’দ বাব->পায়ে হেঁটে বা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘ঈদের জামা’আতে যাওয়া এবং আযান ও ইক্বামাত ব্যতীত খুত্বা্র পূর্বে সালাত আদায় করা। হাঃ-৯৬১

জাবির ইব‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে প্রথমে সালাত আদায় করলেন এবং পরে লোকদের উদ্দেশে খুত্‌বা দিলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুত্‌বা শেষ করলেন, তিনি (মিম্বর হতে) নেমে মহিলাগণের (কাতারের) নিকট আসলেন এবং তাঁদের নসীহত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাঃ)-এর হাতে ভর করেছিলেন এবং বিলাল (রাঃ) তাঁর কাপড় ছড়িয়ে ধরলে, নারীরা এতে সদাকার বস্তু ফেলতে লাগলেন। আমি ‘আতা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এখনো যরুরী মনে করেন যে, ইমাম খুত্‌বা শেষ করে নারীদের নিকট এসে তাদের নসীহত করবেন? তিনি বললেন, নিশ্চয় তা তাদের জন্য অবশ্যই জরুরী। তাদের কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবে না?


সহিহ বুখারী অঃ->দুই ঈ’দ বাব->‘ঈদের দিন নারীদের প্রতি ইমামের নসীহত করা। হাঃ-৯৭৮

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ঈদুল ফিতরের দিন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন, পরে খুতবা দিলেন। খুতবা শেষে নেমে নারীদের নিকট আসলেন এবং তাঁদের নসীহত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাঃ)-এর হাতের উপর ভর দিয়ে ছিলেন এবং বিলাল (রাঃ) তাঁর কাপড় প্রসারিত করে ধরলেন। এতে নারীগণ দান সামগ্রী ফেলতে লাগলেন আমি (ইব্‌নু জুরায়জ) আত্বা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এ কি ‘ঈদুল ফিতরের সদকা? তিনি বললেন না, বরং এ সাধারণ সদকা যা তাঁরা ঐ সময় দিচ্ছিলেন। কোন মহিলা তাঁর আংটি দান করলে অন্যান্য নারীরাও তাঁদের আংটি দান করতে লাগলেন। আমি আতা (রহঃ)-কে (আবার), জিজ্ঞেস করলাম, মহিলাগণকে উপদেশ দেয়া কি ইমামের জন্য জরুরী? তিনি বললেন, অবশ্যই, তাদের উপর তা জরুরী। তাঁদের (অর্থাৎ ইমামগণের) কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবেন না?


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->ঈদের সালাতের খুত্ববাহ হাঃ-১১৪১

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ঈদুল ফিত্বরের দিন দাঁড়িয়ে খুত্ববাহর পূর্বেই সালাত আদায় করলেন।তারপর লোকদের উদ্দেশ্যে খুত্ববাহ দিলেন এবং খুত্ববাহ শেষে মহিলাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে নসীহত করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)তখন বিলালের হাতের উপর ভর করেছিলেন এবং বিলাল (রাঃ) তার কাপড় বিছিয়ে রেখেছিলেন। মহিলারা তাতে দানের বস্তু নিক্ষেপ করছিলেন। কোন কোন মহিলা তাতে নিজেদের গহনা তাতে ছুঁড়ে দিচ্ছিলো এবং অন্যরা আরো অনেক কিছু নিক্ষেপ করছিলো। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।