সহিহ বুখারী অঃ->ইহ্‌রাম অবস্থায় শিকার ও অনুরূপ কিছুর বদলা বাব->লুঙ্গি না পেলে (মুহরিম ব্যক্তি) ইযার বা পায়জামা পরবে। হাঃ-১৮৪৩

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আরাফার ময়দানে আমাদেরকে লক্ষ্য করে তাঁর ভাষণে বললেনঃ (মুহরিম অবস্থায়) যার লুঙ্গি নেই সে যেন পায়জামা পরিধান করে এবং যার জুতা নেই সে যেন মোজা পরিধান করে।


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->পায়জামা প্রসঙ্গে হাঃ-৫৮০৪

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোকের ইযার নেই, সে যেন পায়জামা পরে; আর যার জুতা নেই, সে যেন মোজা পরে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৫)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->পশমহীন চামড়ার জুতা ও অন্যান্য জুতা। হাঃ-৫৮৫৩

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (মুহরিম অবস্থায়) যে লোকের ইযার নেই, সে যেন পায়জামা পরে, আর যার জুতা নেই, সে যেন মোজা পরে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৮৪

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তাঁর ভাষণে বলতে শুনেছি, মুহরিম ব্যক্তির কাপড় না থাকলে সে পায়জামা পরতে পারবে এবং তার চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরতে পারবে। (ই.ফা. ২৬৬১, ই.সে. ২৬৬০)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৮৭

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার কাপড় নেই সে পায়জামা পরিধান করতে পারে, আর যার চপ্পল নেই সে মোজা পরতে পারে। (ই.ফা. ২৬৬৪, ই.সে. ২৬৬৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->মুহরিম ব্যক্তি কেমন পোশাক পরিধান করবে? হাঃ-১৮২৯

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : মুহরিম ব্যক্তির লুঙ্গি না থাকলে সে পায়জামা পরবে, জুতা না থাকলে সে মোজা পরবে। [১৮২৯]


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->যে ব্যক্তি তহবন্দ (খোলা লুংগী) না পায় তার জন্য পায়জামা পরিধানের অনুমতি হাঃ-২৬৭১

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে খুতবা দেয়ার সময় বলতে শুনেছি যে, (মুহ্‌রিম ব্যক্তিদের মধ্যে) যে তহ্‌বন্দ (খোলা লুংগী ) না পায়, সে পায়জামা পরিধান করতে পারে যে ব্যক্তি জুতা না পায়, সে মোজা পরিধান করতে পারে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->যে ব্যক্তি তহবন্দ (খোলা লুংগী) না পায় তার জন্য পায়জামা পরিধানের অনুমতি হাঃ-২৬৭২

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তহ্‌বন্দ (খোলা লুংগী) না পায়, সে পায়জামা পরিধান করতে পারে, আর যে ব্যক্তি জুতা না পায়, সে মোজা পরিধান করতে পারে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->যার জুতা নেই তার জন্য ইহ্‌রাম অবস্থায় মোজা পরার অনুমতি হাঃ-২৬৭৯

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, যখন মুহরিমের তহবন্দ (ইযার খোলা লুংগী) না থাকে, তখন সে পায়জামা পরতে পারে, আর যখন জুতা না থাকে, তখন মোজা পরতে পারে। কিন্তু সে যেন সে দু’টিকে গ্রন্থির নীচ পর্যন্ত কেটে নেয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাজসজ্জা বাব->পায়জামা পরিধান করা হাঃ-৫৩২৫

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আরাফাতে বলতে শোনেন : যার লুঙ্গি না মিলে, সে যেন পায়জামা পরিধান করে এবং যার জুতা নেই সে যেন মোজা পরিধান করে।