সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->মুহরিম ব্যক্তি যে প্রকার কাপড় পরিধান করবে না। হাঃ-১৫৪২

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! মুহরিম ব্যক্তি কী প্রকারের কাপড় পরবে? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরিধান করবে না। তবে কারো জুতা না থাকলে সে টাখ্‌নুর নিচ পর্যন্ত মোজা কেটে (জুতার ন্যায়) পরবে।[৫৩] তোমরা জা’ফরান বা ওয়ার্‌স (এক প্রকার খুশবু) রঞ্জিত কোন কাপড় পরবে না। [আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, মুহরিম ব্যক্তি মাথা ধুতে পারবে। চুল আঁচড়াবে না, শরীর চুলকাবে না। মাথা ও শরীর হতে উকুন যমীনে ফেলে দিবে।](১৩৪, মুসলিম ১৫/১, হাঃ ১১৭৭, আহমাদ ৪৮৩৫) (আঃপ্রঃ ১৪৪১, ইঃফাঃ ১৪৪৭)


সহিহ বুখারী অঃ->ইহ্‌রাম অবস্থায় শিকার ও অনুরূপ কিছুর বদলা বাব->জুতা না থাকলে মুহরিম ব্যক্তির মোজা পরিধান করা। হাঃ-১৮৪২

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহরিম ব্যক্তি কোন্‌ কাপড় পরিধান করবে এ সম্পর্কে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ি, পায়জামা, টুপী এবং যাফরান কিংবা ওয়ারস্‌ দ্বারা রঞ্জিত কাপড় ব্যবহার করতে পারবে না। যদি তার জুতা না থাকে তা হলে মোজা পরবে, তবে মোজা দু’টি পায়ের গিরার নিচ হতে কেটে নিবে।


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->টুপি হাঃ-৫৮০৩

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! মুহরিম কী কী পোশাক পরবে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরবে না। তবে যার জুতা নেই, সে শুধু মোজা পরতে পারবে, কিন্তু মোজা দু’টি পায়ের গোড়ালির নীচ থেকে কেটে ফেলবে। আর যা’ফরান ও ওয়ার্‌স রং লেগেছে, এমন কাপড় পরবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৪)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->পায়জামা প্রসঙ্গে হাঃ-৫৮০৫

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা যখন ইহরাম বাঁধি, তখন কী পোশাক পরতে আমাদের নির্দেশ দেন? তিনি বললেনঃ তোমরা জামা, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরবে না। তবে যার জুতা নেই, সে পায়ের গোড়ালির নীচে পর্যন্ত মোজা পরবে। আর তোমরা এমন কোন কাপড়ই পরবে না, যাতে যা’ফরান বা ওয়ার্‌স রং লেগেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৬)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->পাগড়ী প্রসঙ্গে হাঃ-৫৮০৬

সালিমের পিতা থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহ্‌রিম জামা, পাগড়ী, পায়জামা ও টুপি পরতে পারবে না। যা’ফরান ও ওয়ারস রঞ্জিত কাপড়ও নয় এবং মোজাও নয়। তবে সে ব্যক্তি ছাড়া, যার জুতা নেই। যদি সে জুতা না পায় তাহলে দু’ মোজার পায়ের গোড়ালির নীচে থেকে কেটে নিবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৮১

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট জানতে চাইল যে, মুহরিম ব্যক্তি কী ধরনের পোশাক পরবে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরিধান করতে পারবে না। তবে কোন ব্যক্তি চপ্পলের অভাবে মোজা পরিধান করলে তাকে পায়ের গোছার নীচ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলতে হবে। তোমরা এমন কাপড় পরিধান কর না যা জাফরান বা ওয়ারস-এর রংয়ে রঞ্জিত করা হয়েছে। (ই.ফা. ২৬৫৮, ই.সে. ২৬৫৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৮২

সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করা হ‘ল যে, মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, টুপী, পায়জামা, জাফরান বা ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু তার চপ্পল না থাকলে সে পায়ের গোছার নিম্নাংশ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলে তা পরিধান করতে পারবে। (ই.ফা. ২৬৫৯, ই.সে. ২৬৫৮)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->মুহরিম ব্যক্তি কেমন পোশাক পরিধান করবে? হাঃ-১৮২৬

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুহরিমা মুখাবরণ ও হাতমোজা পরবে না। [১৮২৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম বাধা অবস্থায় যেরূপ কাপড় পরিধান করবে হাঃ-২৯২৯

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলো , ইহরামধারী ব্যক্তি কিরূপ কাপড় পরিধান করবে? রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সে জামা পরবে না, পাগড়ী পরবে না, পাজামা পরবে না, টুপি পরবে না এবং মোজা পরবে না। কিন্তু তার জুতা না থাকলে, সে মোজা পরতে পারবে, তবে পায়ের গোছা বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলবে। সে জাফরান অথবা সুগন্ধি ঘাস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় ও পরিধান করবে না। [২৯২৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->হজ্জ বাব->যে ধরনের পোশাক পরা ইহরামধারী লোকের জন্য বৈধ নয় হাঃ-৮৩৩

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল ! আমাদেরকে ইহরাম অবস্থায় আপনি কি ধরণের পোশাক পরার নির্দেশ দেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জামা, পাজামা, টুপি, পাগড়ী ও মোজা পরবে না। তবে কোন লোকের জুতা না থাকলে সে চামড়ার মোজা পরবে যা পায়ের গোছার নিচে থাকে। যাফরান ও ওয়ারাস রং-এ রঙ করা কোন পোশাক তোমরা পরবে না। ইহরামধারী মহিলারা মুখ ঢাকবে না এবং হাতে দস্তানা (হাত মোজা) পরবে না। -সহীহ্, ইরওয়া, সহীহ্ আবূ দাঊদ (১৬০০- ১৩০৬), আল হাজ্জুল কাবীর, বুখারী, মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মুহ্‌রিম ব্যক্তির জন্য জামা পরিধান নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৬৯

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জামা, পাগড়ি, পায়জামা, বুরনুস, মোজা তোমরা পরিধান করবে না। তবে যদি কেউ জুতা না পায়, তাহলে সে (মোটা) মোজা পরিধান করতে পারবে; আর সে যেন তা গ্রন্থির নীচ পর্যন্ত কেটে নেবে। আর তোমরা ইহ্‌রাম অবস্থায় এমন কাপড় পরিধান করবে না, যাতে জাফরান অথবা ওয়ারস (রঞ্জিত হয়েছে) লেগেছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মুহ্‌রিম নারীর জন্য ‘নিকাব’ পরিধান নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৭৩

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌। ইহ্‌রাম অবস্থায় আমাদেরকে কি কি কাপড় পরিধান করতে আদেশ করেন? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা জামা, পায়জামা, পাগড়ী এবং বুরনুস পরবে না, আর মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু যদি কারো জুতা না থাকে, তবে সে পায়ের গ্রন্থির নিম্ন পর্যন্ত মোজা পরিধান করতে পারে। আর যে কাপড়ে যা’ফরান বা ওয়ারস রং লেগেছে ঐ সকল কাপড় তোমরা পরিধান করবে না, আর মুহ্‌রিম নারী নিকাব পরিধান করবে না আর হাত মোজাও পরিধান করবে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্‌রামে বুরনুস পরা নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৭৪

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! মুহরিম ব্যক্তি কি কাপড় পরিধান করবে? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জামা, পায়জামা, পাগড়ী , বুরনুস ও মোজা পরিধান করবে না, কিন্তু যে ব্যক্তি জুতা না পায়, সে মোজা পরিধান করবে, এবং সে দুটো (মোজা) পায়ের গ্রন্থির নীচ থেকে কেটে নেবে। আর ওয়ারস ও যা’ফরান মিশ্রিত (রঞ্জিত) কাপড় পরিধান করবে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্‌রামে বুরনুস পরা নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৭৫

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে জিজ্ঞাসা করলো যে, আমর ইহ্‌রাম অবস্থায় কি কাপড় পরিধান করবো? তিনি বললেনঃ তোমরা জামা, পায়জামা, পাগড়ী, বুরনুস ও মোজা পরিধান করবে না। তবে কারো যদি জুতা না থাকে, তাহলে সে গ্রন্থির নীচ পর্যন্ত মোজা পরিধান করবে, আর যে কাপড়ে যা’ফরান কিংবা ওয়ারস –এর রং লেগেছে এমন কোন কাপড় পরিধান করবে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মুহ্‌রিম মহিলার জন্য হাত মোজা পরা নিষিদ্ধ। হাঃ-২৬৮১

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(একদা) এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! ইহ্‌রাম অবস্থায় আপনি আমাদেরকে কি কাপড় পরিধান করতে আদেশ করেন? তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা জামা, পায়জামা, মোজা পরিধান করবে না। অবশ্য ঐ ব্যক্তি, যার জুতা নেই, সে মোজা পরতে পারবে গ্রন্থির নীচ পর্যন্ত। আর পরিধান করবেনা না এমন কাপড়, যাতে যা’ফরান ও ওয়ারস লেগেছে। আর মুহ্’রিম মহিলা নেকাব পরিধান করবে না, আর হাত মোজাও পরিধান করবে না।