নাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাঙ্গামা চলাকালে ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) ‘উমরাহ্’র নিয়্যাত করে মক্কায় রওয়ানা হবার পর বললেন, বাইতুল্লাহ্র পথে বাধাগ্রস্ত হলে, তাই করব যা করেছিলাম আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে। তাই তিনি ‘উমরাহ্’র ইহরাম বাঁধলেন। কেননা আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও হুদাইবিয়ার বছর ‘উমরাহ্’র ইহরাম বেঁধেছিলেন।
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফিতনার সময় (হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফের মাক্কাহ আক্রমণের সময়) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘উমরাহ্র ইহরাম বেঁধে রওয়ানা হয়ে বললেন, যদি আমাকে বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দেয়া হয় তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা যা করেছিলাম তাই করব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেহেতু হুদাইবিয়াহ্র বছর ‘উমরাহ্র ইহরাম বেঁধে রওয়ানা করেছিলেন তাই তিনিও ‘উমরাহ্র ইহ্রাম বেঁধে রওয়ানা করলেন। [১৬৩৯] (আ.প্র. ৩৮৬৪, ই.ফা. ৩৮৬৭)
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাঙ্গামা [হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যকার সংঘাত] চলাকালীন সময়ে ‘উমরাহ্ করার উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহ পৌঁছতে আমরা যদি বাধাপ্রাপ্ত হই তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যেরূপ করেছিলাম, এখনও তদ্রূপ করব। অতএব তিনি রওনা হলেন এবং ‘উমরার ইহরাম বাঁধলেন, তিনি সফর অব্যাহত রাখলেন; যতক্ষণ না আল বায়দা নামক স্থানে পৌঁছলেন। এখানে তিনি নিজের সঙ্গীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের নিয়ম একই। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি নিজের জন্য হাজ্জকে ‘উমরার সাথে বাধ্যতামূলক করলাম। (রাবী বলেন) অতএব তিনি রওনা হয়ে বায়তুল্লাহ পৌঁছলেন, সাতবার ত্বওয়াফ করলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সা’ঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং নিজের (হাজ্জ ও ‘উমরার) জন্য এটাই (এক ত্বওয়াফ ও এক সা’ঈ) যথেষ্ট বিবেচনা করলেন এবং কুরবানী করলেন। (ই.ফা. ২৮৫৫, ই.সে. ২৮৫৪)