সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ, ‘উমরাহ্ ও ‘আরাফাহ্ দিবসের ফাযীলাত হাঃ-৩১৮০

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ একটি ‘উমরাহ্ পরবর্তী ‘উমরাহ্ পর্যন্ত মাঝখানের গুনাহসমূহের কাফ্ফারাহ্ স্বরূপ এবং ত্রুটিমুক্ত (অথবা আল্লাহর নিকট গৃহীত) হাজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া এর কিছু নয়। (ই.ফা. ৩১৫৫, ই.সে. ৩১৫২)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->হজ্জ ও ‘উমরার ফযিলত হাঃ-২৮৮৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক উমরাহ থেকে অপর উমরাহ মাঝখানের সময়ের জন্য কাফ্‌ফারাস্বরূপ এবং জান্নাতই হলো মাবরূর (ত্রুটিমুক্ত) হজ্জের প্রতিদান। [২৮৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->হজ্জ বাব->উমরার ফযিলত হাঃ-৯৩৩

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক উমরা অপর উমরা পর্যন্ত সংঘটিত গুনাহসমূহের কাফফারা স্বরূপ। ক্ববূল হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নেই। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৮৮৮), বুখারী, মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মাবরূর (মাকবূল) হজ্জের ফযীলত হাঃ-২৬২২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘মাবরূর’ (কবুল হওয়া) হজ্জের জন্য জান্নাত ব্যতীত কোন প্রতিদান নেই। আর এক উমরা অন্য উমরার মধ্যবর্তী সময়ের জন্য গুনাহর কাফফারা হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->হজ্জের ফযীলত হাঃ-২৬২৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক উমরা হতে অন্য উমরা পর্যন্ত উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের জন্য কাফফারা। আর ‘মাবরূর’ হজ্জের বিনিময় জান্নাত ব্যতীত আর কিছুই নয়।