সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->মাক্কাহ্ মু‘আজ্জামাকে বাঁ পাশে রেখে উপত্যকার মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে জাম্রাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা হাঃ-৩০২৩

আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে বলতে শুনেছিঃ জিবরীল (‘আঃ) যে ক্রমবিন্যাসে কুরআন মাজীদ সাজিয়েছেন, তোমরা তদনুযায়ী তা সুবিন্যস্ত কর। যেমন, প্রথম সে সূরাহ্ যার মধ্যে গাভী সম্পর্কে আলোচনা এসেছে। এরপর যে সূরায় মহিলাদের সম্পর্কে, এরপর সে সূরাহ্ যার মধ্যে ‘ইমরান-পরিবার সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে। আ‘মাশ (রহঃ) বলেন, এরপর আমি ইব্রাহীমের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে হাজ্জাজের বক্তব্য সম্পর্কে অবহিত করলাম। তিনি তাকে গালি দিলেন। এরপর বললেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ আমাকে বলেছেন যে, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর সাথে ছিলেন। তিনি জামরাতুল ‘আক্বাবায় এলেন, উপত্যকার মাঝে দাঁড়ালেন এবং জামরাহ্কে নিজের সম্মুখভাগে রাখলেন, এরপর উপত্যকার মাঝে দাঁড়িয়ে সাতটি কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, প্রত্যেকবার নিক্ষেপের সাথে সাথে ‘আল্ল-হু আকবার’ বললেন। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! লোকেরা উপত্যকার উপরিভাগ থেকে পাথর নিক্ষেপ করে। তিনি বললেন, সে সত্তার শপথ যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, এ সেই স্থান যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছিল। (ই.ফা. ২৯৯৮, ই.সে. ২৯৯৫)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->যে স্থান থেকে জামরাতুল আকাবায় কংকর মারা হয় হাঃ-৩০৭৩

আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি হাজ্জাজকে বলতে শুনেছি যে, তোমরা ‘সূরা বাকারা’ বলবে না। বরং তোমরা বলবে, এই সে সূরা যাতে বাকারা বা গাভীর উল্লেখ রয়েছে। আমি ইবরাহীমের নিকট একথা উল্লেখ করলে তিনি বলেন : আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলেন, যখন তিনি জামরাতুল আকাবায় কংকর মারেন। তিনি বাতনে ওয়াদীতে (উপত্যকার নিচুতে) প্রবেশ করে তা অর্থাৎ জামরার বরাবর দাঁড়ান। এরপর সেখান থেকে সাতটি কংকর মারেন। আর তিনি প্রতিটি কংকর মারার সাথে তাকবীর বলেন। আমি বললাম : লোকেরা পাহাড়ে আরোহণ করে। তিনি বললেন : যে আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই তার শপথ! যার উপর সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে, আমি তাকে এখান থেকেই মারতে দেখেছি।