সহিহ বুখারী অঃ->ওয়াকালাহ ( প্রতিনিধিত্ব) বাব->কুরবানীর উট ও তার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ। হাঃ-২৩১৭

‘আমরাহ বিন্‌তু আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি নিজ হাতে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর জন্তুর জন্য হার পাকিয়েছি। তারপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তাকে হার পরিয়ে আমার পিতা [আবূ বকর (রাঃ)]-এর সঙ্গে পাঠিয়েছেন। কুরবানীর জন্তু যবেহ করার পর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর কোন কিছু হারাম থাকেনি, যা আল্লাহ তাঁর জন্য হালাল করেছেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->যে নিজে (মাক্কাতে) যেতে ইচ্ছা রাখে না, তার পক্ষে কুরবানীর পশু হারামে পাঠানো ও গলায় মালা পরানো এবং মালা পাকানো মুস্তাহাব, আর (প্রেরক) ইহরামকারীর অনুরূপ হবে না এবং এ কারণে তার উপর (ইহরামধারীদের মতো) কোন কিছু হারাম হবে না হাঃ-৩০৯৬

‘আম্রাহ্ বিনতু ‘আবদূর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু যিয়াদ (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে লিখেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ ‘যে ব্যক্তি (মাক্কার হারামে) কুরবানীর পশু পাঠায়, হাজীদের জন্য যা করা হারাম তার জন্যও তা করা হারাম যতক্ষণ না ঐ পশু কুরবানী করা হয়। আমি কুরবানীর পশু (হারামে) পাঠীয়েছি। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত আমাকে লিখে জানাবেন।” ‘আম্রাহ্ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) যেভাবে বলেছেন, ব্যাপারটি তা নয়। আমি নিজ হাতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর (গলায় বাঁধার) জন্য মালা তৈরী করে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তা পশুর গলায় বেঁধেছেন, অতঃপর আমার পিতার মাধ্যমে তা (হারাম শরীফে) পাঠিয়েছেন। কিন্তু এর ফলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর এমন কোন জিনিষ হারাম হয়নি- যা আল্লাহ তা’আলা তাঁর জন্য হালাল করেছেন। অতঃপর পশু কুরবানী করা হয়েছে। (ই.ফা. ৩০৭১, ই.সে. ৩০৬৮)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->কুরবানীর জন্তুকে কিলাদা পরানোর দ্বারা কি ইহরাম বাঁধা সাব্যস্ত হয়? হাঃ-২৭৯৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আমার নিজের হাতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদীর (কুরবানীর পশুর) কিলাদা পাকাতাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তা তাদের কিলাদারূপে পরিয়ে দিতেন। তারপর তা আমার আব্বার সাথে (মক্কায়) পাঠিয়ে দিতেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর জন্তু জবাই না করা পর্যন্ত ঐ সকল কোন বিষয়ই পরিত্যাগ করতেন না, যা তাঁর জন্য আল্লাহ তা'য়ালা হালাল করেছিলেন। [১]