সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->জাহিলীয়্যাতের যুগ। হাঃ-৩৮৩৮

আমর ইব্‌নু মায়মূন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, মুশরিকগণ সাবীর পাহাড়ের উপর সূর্যের কিরণ না পড়া পর্যন্ত মুয্‌দালাফা হতে রওয়ানা হত না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য উঠার আগে রাওয়ানা হয়ে তাদের প্রথার খেলাফ করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৫৮)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মুযদালিফা হতে প্রস্থানের সময় হাঃ-৩০৪৭

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমর ইবন মায়মূন (রহঃ) -কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি মুযদালিফায় উমর (রাঃ)-এর কাছে হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ জাহিলী যুগে তারা সূর্যোদয়ের পূর্বে মুযদালিফা হতে প্রস্থান করতো না। তারা বলতোঃ “হে সাবির! উদয় (উজ্জ্বল) হও! (সাবির পাহাড়ে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর।) আর রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিরোধিতা করে সূর্যোদয়ের পূর্বেই মুযদালিফা থেকে প্রস্থান করেন।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->হজ্জ বাব->সূর্য উঠার আগেই মুযদালিফা হতে (মিনার উদ্দেশ্যে) রাওয়ানা হওয়া হাঃ-৮৯৬

আমর ইবনু মাইমুন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মুযদালিফায় অবস্থানরত ছিলাম। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তখন বললেনঃ সূর্য না উঠা পর্যন্ত মুশরিকরা এখান হতে রাওয়ানা হত না। তারা বলতঃ হে সাবির। আলোকিত হও। কিন্তু তাদের বিপরীত নীতি অনুসরণ করেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। অতঃপর সূর্য উঠার পূর্বেই উমার (রাঃ)-ও রাওয়ানা হন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০২২), বুখারী


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->মুযদালিফায় অবস্থান। হাঃ-৩০২২

আমর বিন মায়মূন থেকে বর্নিতঃ

আমরা উমার ইবনূল খাত্তাব (রাঃ) -এর সাথে হজ্জ করেছি। আমরা যখন মুযদালিফা থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম তখন তিনি বলেন, মুশরিকরা বলতো, হে সাবীর (মুযদালিফার একটি পাহাড়) ! উজ্জ্বল হও, আমরা প্রত্যাবর্তন করবো। তারা সূর্য না উঠা পর্যন্ত (মুযদালিফা থেকে) প্রত্যাবর্তন করতো না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিপরীত আমল করেন এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে (মিনার উদ্দেশ্যে) রওয়ানা করেন। [৩০২২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।