ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে সাত চক্করে (বাইতুল্লাহর) তাওয়াফ সম্পন্ন করে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সাফার দিকে বেরিয়ে গেলেন। [ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেন] মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”- (আল-আহযাবঃ ২৩) (৩৯৫) ((আঃপ্রঃ ১৫১৯, ইঃফাঃ ১৫২৫)
‘আমর ইব্নু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-এর নিকট জিজ্জেস করলাম, কোন ব্যক্তি ‘উমরাহ করতে গিয়ে শুধু বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করে, আর সাফা ও মারওয়া সা’ঈ না করে, তার পক্ষে কি স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে? তখন তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) উপনীত হয়ে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ সাত চক্করে সমাধা করে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করলেন, এরপর সাত চক্করে সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করলেন। [এতটুকু বলে ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেন] “তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”-(আল-আহযাবঃ ২১)।(৩৯৫)(আঃপ্রঃ ১৫৩৪, ইঃফাঃ ১৫৪০)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে উক্ত বিষয়ে জিজ্জেস করলাম। তখন তিনি বললেন, সাফা ও মারয়ার সা’ঈ করার পূর্বে কারো পক্ষে স্ত্রী সহবাস মোটেই বৈধ হবে না। (৩৯৬) (আঃপ্রঃ ১৫৩৪ শেষাংশ, ইঃফাঃ ১৫৪০ শেষাংশ)
আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ইবন উমর (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি। আমরা তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে প্রশ্ন করছিলাম, যে উমরা করতে এসে কা’বার তাওয়াফ করে, কিন্তু সাফা ও মারওয়ার সাঈ করেনি। সে কি তার পরিবারের কাছে গমন (সহবাস) করবে? তিনি বললেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় আগমন করেন, তখন তিনি সাতবার তাওয়াফ করেন এবং মাকামে ইবরাহীমের পেছনে দুই রাক’আত সালাত আদায় করেন এবং সাফা ও মারওয়া সাঈ করেন। “আর তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে”।
আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
ইব্ন উমর (রাঃ) বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় এলেন এবং সাতবার কা'বার তাওয়াফ করলেন, এবং মাকামে ইবরাহীমের পেছনে দু'রাক'আত সালাত আদায় করলেন এবং সাফা ও মারওয়ায় সাঈ করলেন। আর বললেন : তোমাদের জন্য রাসুলুল্লাহ্র মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।