সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর। (সূরা আল-বাক্বারাহ ২/১২৫) হাঃ-৩৯৫

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা ইব্‌নু উমর (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম – যে ব্যক্তি ‘উমরাহ্‌র ন্যায় বাইতুল্লাহ্‌র ত্বওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ায় সা’ঈ করে নি, সে কি তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করতে পারবে? তিনি জবাব দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে সাতবার বায়তুল্লাহ্‌ তওয়াফ করেছেন, মাকামে ইবরাহীমের নিকট দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন আর সাফা-মারওয়ায় সা’ঈ করেছেন। তোমাদের জন্যে আল্লাহ্‌র রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (১৬২৩, ১৬২৭, ১৬৪৫, ১৬৪৭, ১৭৯৩ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩৮১, ই.ফা. ৩৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭)


সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর। (সূরা আল-বাক্বারাহ ২/১২৫) হাঃ-৩৯৬

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি বলেছেনঃ সাফা-মারওয়ার সা’ঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর নিকটবর্তী (সহবাস) হবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭ শেষাংশ)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফের সাত চক্কর পর দু’ রাক’আত সালাত আদায় করেছেন। হাঃ-১৬২৩

‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে জিজ্জেস করলাম, ‘উমরাহকারীর জন্য সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে কি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে সাত চক্করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সমাপ্ত করে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করেন, অতঃপর সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করেন। এরপর ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) তিলাওয়াত করেন, “তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে”-(আল-আহযাবঃ ২৩)। (৩৯৫) (আঃপ্রঃ, ইঃফাঃ ১৫২২)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফের সাত চক্কর পর দু’ রাক’আত সালাত আদায় করেছেন। হাঃ-১৬২৪

(রাবী) ‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ নয়। (৩৯৬) (আঃপ্রঃ ১৫১৬, ইঃফাঃ ১৫২২ শেষাংশ)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->তাওয়াফের দু’ রাক’আত সালাত মাকামে ইব্রাহীমের পশ্চাতে আদায় করা। হাঃ-১৬২৭

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে সাত চক্করে (বাইতুল্লাহর) তাওয়াফ সম্পন্ন করে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সাফার দিকে বেরিয়ে গেলেন। [ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বলেন] মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”- (আল-আহযাবঃ ২৩) (৩৯৫) ((আঃপ্রঃ ১৫১৯, ইঃফাঃ ১৫২৫)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সা”ঈ করা প্রসঙ্গে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে। হাঃ-১৬৪৭

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সম্পন্ন করলেন। এরপর দু’রাকা’রাত সালাত আদায় করলেন। এরপর সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করলেন। এরপর তিনি (ইব্‌নু ‘উমর) তিলাওয়াত করলেনঃ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ” – (আল আহযাবঃ২১)। (৩৯৫) (আঃপ্রঃ ১৫৩৫, ইঃফাঃ১৫৪১)


সহিহ বুখারী অঃ->‘উমরাহ্‌ বাব->‘উমরা আদায়কারী কখন হালাল হবে (ইহ্‌রাম খুলবে)? হাঃ-১৭৯৩

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমরা’র মাঝে বাইতুল্লাহ্‌র তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়াহ্‌র তাওয়াফ না করে যে স্ত্রীর নিকট গমন করে, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) এসে বায়তুল্লাহ’র সাতবার তাওয়াফ করে মাকামে ইব্‌রাহীমের পাশে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এরপর সাতবার সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘য়ী করেছেন। “আর তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ তো রয়েছে আল্লাহ্‌র রাসূলের মাঝেই”- (আল-আহযাব : ২১)।


সহিহ বুখারী অঃ->‘উমরাহ্‌ বাব->‘উমরা আদায়কারী কখন হালাল হবে (ইহ্‌রাম খুলবে)? হাঃ-১৭৯৪

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(রাবী) ‘আমর ইব্‌নু দীনার (রহঃ) বলেছেন, জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) -কেও আমরা জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেছেন, সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ তার স্ত্রীর নিকট কিছুতেই যাবে না।


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজীদের জন্য ত্বওয়াফে কুদূম, অতঃপর সা’ঈ মুস্তাহাব হাঃ-২৮৮৯

‘আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট এক লোক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, ‘উমরাহ্ করার উদ্দেশে আগমন করেছে, অতঃপর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করেনি- সে কি তার স্ত্রীর সাথে মিলতে পারে? ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ আগমন করে সাতবার বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেন, মাক্বামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সা’ঈ করেন। আর তোমাদের জন্য অবশ্যই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৬৫, ই.সে. ২৮৬৪)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->উমরার ইহরামকারীর তাওয়াফ করা হাঃ-২৯৩০

আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইবন উমর (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি। আমরা তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে প্রশ্ন করছিলাম, যে উমরা করতে এসে কা’বার তাওয়াফ করে, কিন্তু সাফা ও মারওয়ার সাঈ করেনি। সে কি তার পরিবারের কাছে গমন (সহবাস) করবে? তিনি বললেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় আগমন করেন, তখন তিনি সাতবার তাওয়াফ করেন এবং মাকামে ইবরাহীমের পেছনে দুই রাক’আত সালাত আদায় করেন এবং সাফা ও মারওয়া সাঈ করেন। “আর তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে”।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->তাওয়াফের পর দু'রাক'আত সালাত কোথায় আদায় করবে? হাঃ-২৯৬০

আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌ন উমর (রাঃ) বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় এলেন এবং সাতবার কা'বার তাওয়াফ করলেন, এবং মাকামে ইবরাহীমের পেছনে দু'রাক'আত সালাত আদায় করলেন এবং সাফা ও মারওয়ায় সাঈ করলেন। আর বললেন : তোমাদের জন্য রাসুলুল্লাহ্‌র মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।