সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সলাতের সময় হাঃ-১২৭২

আবদুল্লাহ ইবনু আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যখন ফজরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো ফজরের সলাতের সময় হলো সূর্যের প্রান্তভাগ বেরিয়ে না আসা পর্যন্ত। তোমরা যখন যুহরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো যে, এর সময় হলো- ‘আসরের ওয়াক্ত শুরু না হওয়া পর্যন্ত। তোমরা যখন আসরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো ‘আসরের সলাতের সময় হলো সূর্য বিবর্ণ হয়ে হলুদ (সোনালি বা তাম্রবর্ণও বলা যেতে পারে) বর্ণ ধারণ না করা পর্যন্ত। [১৭] তোমরা যখন মাগরিবেরে সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো যে, মাগরিবের সলাতের সময় থেকে পশ্চিম দিগন্তের রক্তিম আভা বা লালিমা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। আর তোমরা যখন ঈশার সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখ ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধেক রাত পর্যন্ত। (ই. ফা. ১২৫৯ ই. সে. ১২৭২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->ফার্‌য তাওয়াফের বর্ণনা হাঃ-১৮৭৭

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হাজ্জে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করেছেন এবং লাঠি দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেছেন। [১৮৭৭]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->লাঠির সাহায্যে রুকন (হাজরে আসওয়াদ) কে চুমা দেওয়া হাঃ-২৯৪৮

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে একটি উটে আরোহণ করে তাওয়াফ করেন এবং একটি লাঠির সাহায্যে (ইশারায়) রুকনকে চুম্বন করেন। [২৯৪৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->মসজিদ বাব->মসজিদে উট প্রবেশ করানো হাঃ-৭১৩

আবদুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করলেন এবং লাঠি দ্বারা হাজরে আসওয়াদকে স্পর্শ করে চুমা দিলেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->রুকন (হাজরে আসওয়াদকে) লাঠি দ্বারা স্পর্শ করা। হাঃ-২৯৫৪

আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে উটের উপর সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করেন এবং হাজরে আসওয়াদ লাঠি দ্বারা স্পর্শ করেন।