‘আবদুল্লাহ (ইবন ‘উমর) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে উপবিষ্ট অবস্থায় বলেন, গিফার গোত্র, আল্লাহ্ তাদেরকে মাফ করুন, আসলাম গোত্র, আল্লাহ্ তাদেরকে নিরাপত্তা দান করুন আর ‘উসাইয়া গোত্র, তারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল অবাধ্যতা করেছে।
হারিস ইবনু খুফাফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খুফাফ ইবনু ঈমা বর্ণনা করেছেন। তিনি (খুফাফ ইবনু ঈমা) বলেন, একদিন সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ’ করলেন এবং তারপর রুকূ’ থেকে মাথা তুলে বললেনঃ গিফার গোত্রকে আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমা করুন। আসলাম গোত্রকে আল্লাহ নিরাপদে রাখুন। আর ‘উসাইয়্যাহ্ গোত্র তো আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নাফরমানী করেছে। এরপর তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ ! তুমি বানী লিহ্ইয়ান গোত্রের ওপর লা‘নাত বর্ষণ করো, রি‘ল ও যাকওয়ান গোত্রদ্বয়ের ওপর লা‘নাত বর্ষণ করো। এরপর তিনি সাজদায় চলে গেলেন। খুফাফ ইবনু ঈমা বলেছেনঃ এ কারণেই কুনূতে কাফিরদের লা‘নাত করা হয়ে থাকে। (ই.ফা. ১৪২৯, ই.সে. ১৪৩৯)
আব্দুল্লাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনিবলেন, আবূ যার (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: গিফার সম্প্রদায়কে আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিয়েছেন এবং আসলাম সম্প্রদায়ের লোকদের আল্লাহ তা’আলা নিরাপত্তা দিয়েছেন। (ই.ফা.৬২০১, ই.সে. ৬২৪৭)
খুফাফ ইবনু ঈমা আল-গিফারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সালাতের দু’আয় বলেছেন: হে আল্লাহ! বানু লিহয়্যান, রি’ল, যাকওয়ান ও উসাইয়্যাহ গোত্রের উপর অভিসম্পাত করো। কারণ, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছে। আর গিফারকে আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিয়েছেন এবং আসলামকে নিরাপত্তা বিধান করেছেন। (ই.ফা. ৬২০৬, ই.সে. ৬২৫২)
ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: গিফার গোত্রের লোকেদেরকে আল্লাহ তা’আলা ক্ষমা করে দিয়েছেন, আসলাম গোত্রের লোকেদেরকে নিরাপত্তা দান করেছেন এবং ‘উসাইয়্যাহ গোত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছে। (ই.ফা. ৬২০৭, ই.সে. ৬২৫৩)