সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সিজদায় যাওয়ার সময় তাকবীর বলতে বলতে নত হওয়া । হাঃ-৮০৪

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকূ’ হতে মাথা উঠাতেন তখন 'سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ ' বলতেন। আর কতিপয় লোকের নাম উল্লেখ করে তাঁদের জন্য দু’আ করতেন। দু’আয় তিনি বলতেন, হে আল্লাহ্‌! ওয়ালীদ ইব্‌নু ওয়ালীদ, সালামা ইব্‌নু হিশাম, আইয়্যাস ইব্‌নু আবু রাবী’আ (রাঃ) এবং অপরাপর দুর্বল মুসলিমদেরকে রক্ষা করুন। হে আল্লাহ্‌! মুদার গোত্রের উপর আপনার পাকড়াও কঠোর করুন, ইউসুফ (আঃ)–এর যুগে যেমন খাদ্য সংকট ছিল তাঁদের জন্যও তেমন খাদ্য সংকট সৃষ্টি করে দিন। (রাবী বলেন) এ যুগে পূর্বাঞ্চলের অধিবাসী মুদার গোত্রের লোকেরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর বিরোধী ছিল।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->ফজরের সালাতে কুনূত হাঃ-১০৭৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাতের দ্বিতীয় রাকাআতে মাথা উঠালেন। তখন বললেন, ইয়া আল্লাহ! ওলীদ ইব্‌ন ওলীদ এবং সালামা ইব্‌ন হিশাম, আইয়াশ ইব্‌ন আবু রাবী‘আ এবং মক্কার দূর্বল মুসলমানদেরকে নাজাত দাও। আর তুমি মুদার গোত্রের উপর তোমার কঠিন আযাব অবতীর্ণ কর। তাদের বছরগুলোকে ইউসুফ (আঃ)-এর বছরগুলোর ন্যায় করে দাও।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->ফজরের সলাতে দুআ’ কুনুত পড়া প্রসঙ্গে। হাঃ-১২৪৪

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজরের সলাতে (রুকূ’ থেকে) মাথা তুলে বললেনঃ “হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবনুল ওয়ালীদ, সালামাহ বিন হিশাম, আইয়াশ বিন আবূ রবীআ ও মাক্কাহর অসহায় মুসলিমদের নাজাত দিন। হে আল্লাহ! মুদার গোত্রের উপর আপনার নিপীড়ন জোরদার করুন এবং তাদের উপর ইউসুফ (আঃ)-এর সময়কার দুর্ভিক্ষের মত কয়েক বছরের দুর্ভিক্ষ কার্যকর করুন”। [১২৪৪]