সহিহ মুসলিম অঃ->ফযীলত বাব->রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মুচকি হাসি ও উত্তম জীবন যাপন হাঃ-৫৯২৯

সিমাক ইবনু হার্ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বসতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ! অনেকবার। তিনি ফাজ্‌রের সলাত যেখানে আদায় করতেন সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সেখান হতে উঠতেন না। এরপর যখন সূর্যোদয় হতো তখন তিনি উঠে দাঁড়াতেন। লোকেরা কথাবার্তা বলতো, জাহিলী যুগের ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করতো এবং হাসতো আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও মুচকি হাসতেন। (ই.ফা.৫৮২৮, ই.সে.৫৮৬৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->সালাতুদ্- দুহা (চাশতের সলাত) হাঃ-১২৯৪

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহচর্যে থাকতেন? তিনি বলেন, হাঁ, অধিক সময় তার সাহচর্যে ছিলাম। তিনি সূর্যোদায় পর্যন্ত ঐ স্থানেই বসে থাকতেন সেখানে তিনি ফজরের সলাত আদায় করেছেন। অতঃপর সূর্যোদয় হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে যেতেন। সহীহ: মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাম ফিরানোর পর ইমামের তাঁর সালাতের স্থানে বসে থাকা হাঃ-১৩৫৮

সিমাক ইব্‌ন হার্‌ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্‌ন সামুরা (রাঃ)-কে বললাম, আপনি তো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে উঠা-বসা করে থাকতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ; যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করতেন, তাঁর সালাতের স্থানে সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে থাকতেন। তখন তাঁর সাহাবীগণের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন, তাঁরা জাহিলী যুগের ঘটনাসমুহের আলোচনা করতেন, কবিতা আবৃত্তি করতেন এবং হাসা-হাসিও করতেন, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসতেন।