সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->মসজিদে হাদাস হওয়া (উযূ নষ্ট হওয়া) হাঃ-৪৪৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ মসজিদে সালাতের পরে হাদাসের পূর্ব পর্যন্ত সেখানে সালাত আদায় করেছে সেখানে যতক্ষণ বসে থাকে ততক্ষণ মালাকগণ তার জন্য দু’আ করতে থাকেন। তাঁরা বলেনঃ হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা কর। হে আল্লাহ! তার উপর রহম কর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩২)


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->মসজিদে সালাতে অপেক্ষমান ব্যক্তি এবং মসজিদের ফযীলত । হাঃ-৬৫৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ তার সালাতের স্থানে থাকে তার উযূ ভঙ্গ না হওয়া পর্যন্ত তার জন্য মালাকগণ (ফেরেশতাগণ) এ বলে দু‘আ করেন যে, হে আল্লাহ্! আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন, হে আল্লাহ! আপনি তার উপর রহম করুন। আর তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তির সালাতই তাকে বাড়ি ফিরে যাওয়া হতে বিরত রাখে, সে সালাতে রত আছে বলে পরিগণিত হবে।


সহিহ বুখারী অঃ->সৃষ্টির সূচনা বাব->তোমাদের কেউ যখন আমীন বলে আর আকশের ফেরেশতাগণও আমীন বলে। অতঃপর একের আমীন অন্যের আমীনের সঙ্গে মিলিতভাবে উচ্চারিত হয় তখন পুর্বের পাপরাশি মুছে দেয়া হয়। হাঃ-৩২২৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতে রত থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতাগণ এ বলে দু’আ করতে থাকে, হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দিন এবং হে আল্লাহ! তার প্রতি রহম করুন যতক্ষণ পর্যন্ত লোকটি সালাত ছেড়ে না দাঁড়ায় কিংবা তার উযু ভঙ্গ না হয়।’


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->মসজিদে বসে থাকার ফাযীলাত হাঃ-৪৬৯

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত তার সলাত আদায়ের স্থানে (জায়নামাযে) বসে থাকে ততক্ষণ মালায়িকাহ্‌ (ফেরেশতাগণ) তার জন্য দু’আ করতে থাকেন। তার উযু নষ্ট হওয়া অথবা উঠে চলে যাওয়া পর্যন্ত মালায়িকাহ্‌ এই বলে দু’আ করতে থাকেনঃ ‘হে আল্লাহ্‌! তাকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! তার প্রতি রহম করুন।’ সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->মসজিদ ও জামাআত বাব->মসজিদসমূহে যাতায়াত বাধ্যতামূলক করে নেয়া এবং সালাতের জন্য অপেক্ষারত থাকা। হাঃ-৭৯৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে এবং যতক্ষণ সালাত তাকে আটক রাখে, ততক্ষণ সে সালাতের মধ্যে থাকে। তোমাদের কেউ যে মজলিসে সালাত পড়েছে তাতে যতক্ষণ সে অবস্থান করে ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য দুআ করতে থাকেন। তারা বলেন, “হে আল্লাহ্! তাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ্! তাকে অনুগ্রহ করুন। হে আল্লাহ্! তার তওবা কবূল করুন।” যতক্ষণ না তার উদূ ছুটে যায়, যতক্ষণ না সে কাউকে কষ্ট দেয় (ততক্ষণ এ দুআ চলতে থাকে)। [৭৯৭]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->মসজিদে বসা এবং নামাযের জন্য অপেক্ষা করার ফযিলত হাঃ-৩৩০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যে পর্যন্ত মসজিদে নামাযের প্রতীক্ষায় থাকে, সে যেন নামাযের মধ্যেই থাকে, আর যতক্ষন পর্যন্ত তোমাদের কেউ মসজিদে থাকে ফেরেশতারা সে পর্যন্ত তার জন্য দু’আ করতে থাকে- “আল্লাহুম্মাগফিরহু আল্লাহুম্মারহামহু।” হাদাস (ওযূ ছুটে) না যাওয়া পর্যন্ত তার জন্য দু’আ চলতে থাকে। হাযরামাওতের এক ব্যক্তি বলল, হে আবূ হুয়াইরা! হাদাস কাকে বলে? তিনি বললেন, নিঃশব্দে বা স্বশব্দে বায়ু বের হওয়া। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(৭৯৯), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->মসজিদ বাব->সালাতের অপেক্ষায় মসজিদে বসার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান হাঃ-৭৩৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে যতক্ষণ মুসাল্লায় বসে থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য নিম্নরূপ দোয়া করতে থাকেন, (আরবী) (হে আল্লাহ ! তাকে ক্ষমা করে দিন, হে আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন), যাবৎ না তার উযূ ভঙ্গ হয়।