সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->বাজারের মসজিদে সালাত আদায়। হাঃ-৪৭৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা’আতের সাথে সালাত আদায় করলে ঘর বা বাজারে সালাত আদায় করার চেয়ে পঁচিশ গুণ সওয়াব বৃদ্ধি পায়। কেননা, তোমাদের কেউ যদি ভাল করে উযূ করে কেবল সালাতের উদ্দেশ্যেই মসজিদে আসে, সে মসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত যতবার কদম রাখে তার প্রতিটির বিনিময়ে আল্লাহ তা’আলা তার মর্যাদা ক্রমান্বয়ে উন্নীত করবেন এবং তার এক একটি করে গুনাহ মাফ করবেন। আর মসজিদে প্রবেশ করে যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের অপেক্ষায় থাকে, ততক্ষণ তাকে সালাতেই গণ্য করা হয়। আর সালাত শেষে সে যতক্ষণ ঐ স্থানে থাকে ততক্ষণ মালাকগণ (ফেরেশতাগণ) তার জন্যে এ বলে দু’আ করেনঃ হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ! তাকে রহম করুন- যতক্ষণ সে কাউকে কষ্ট না দেয়, উযূ ভেঙ্গে যাওয়ার কোন কাজ সেখানে না করে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩)


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->জামা’আতে সালাত আদায় করার মর্যাদা । হাঃ-৬৪৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তির জামা‘আতের সাথে সালাতের সওয়াব, তার নিজের ঘরে ও বাজারে আদায়কৃত সালাতের সওয়াবের চেয়ে পঁচিশ গুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়। এর কারণ এই যে, সে যখন উত্তমরূপে উযূ করলো, অতঃপর একমাত্র সালাতের উদ্দেশে মসজিদে রওয়ানা করল তখন তার প্রতি কদমের বিনিময়ে একটি মর্তবা বৃদ্ধি করা হয় এবং একটি গুনাহ মাফ করা হয়। সালাত আদায়ের পর সে যতক্ষণ নিজ সালাতের স্থানে থাকে, মালাকগণ (ফেরেশতাগণ) তার জন্য এ বলে দু‘আ করতে থাকেন- “হে আল্লাহ! আপনি তার উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তার প্রতি অনুগ্রহ করুন।” আর তোমাদের কেউ যতক্ষণ সালাতের অপেক্ষায় থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সালাতে রত বলে গণ্য হয়। (১৭৬) (আ.প্র. ৬১১, ই.ফা. ৬১৮)


সহিহ বুখারী অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->বাজার বা ব্যবসা কেন্দ্র সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে। হাঃ-২১১৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কারো জামা’আতে সালাত আদায়ে নিজ ঘরের সালাতের চেয়ে বিশ গুণেরও অধিক মর্তবা রয়েছে। কারণ সে যখন উত্তমরূপে অযু করে মসজিদে আসে, সালাত আদায় ছাড়া অন্য কোন অভিপ্রায়ে আসে না, সালাত ছাড়া অন্য কিছুই তাকে উদ্বুদ্ধ করে না। এমতাবস্থায় তার প্রতি কদমে এক মর্তবা বৃদ্ধি করা হবে এবং একটি গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর ফেরেশতাগণ তোমাদের সে ব্যক্তির জন্য (এ মর্মে) দু’আ করতে থাকবেন, যতক্ষণ সে যেখানে সালাত আদায় করেছে, হে আল্লাহ! আপনি তার প্রতি অনুগ্রহ করুন, তার প্রতি রহম করুন। যতক্ষণ না সে তথায় অযু ভঙ্গ করে, যতক্ষণ না সে তথায় কাউকে কষ্ট দেয়। তিনি আরো বলেছেন, তোমাদের সে ব্যক্তি সালাতে রত গণ্য হবে, যতক্ষণ সে সালাতের অপেক্ষায় থাকে।


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->জামা‘আতে সলাত আদায়ের ফযীলত এবং তা পরিত্যাগকারীর প্রতি কঠোরতা হাঃ-১৩৬৬

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিশগুণের চেয়ে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন। [১] (ই.ফা.১৩৫৩, ই.সে.১৩৬৫)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->পবিত্রতা অর্জন বাব->উযুর পর যে দু’আ পড়তে হয় হাঃ-১৭০

উক্ববাহ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ববাহ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি তাতে ‘উটশালায়’ কথাটি উল্লেখ করেননি। তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘উত্তমরূপে উযু করার পর ‘আকাশের দিকে তাকিয়ে’ (দু’আ পড়ার কথা) বলেছেন। তারপর বাকি অংশ মু’আবিয়াহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->সলাত আদায়ের জন্য পায়ে হেঁটে (মসজিদে) যাওয়ার ফাযীলাত হাঃ-৫৫৯

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি ঘরে ও বাজারে (একাকী) সলাত আদায় অপেক্ষা জামা'আতে সলাত আদায় করলে পঁচিশ গুণ বেশি সাওয়াব পাবে। কেননা তোমাদের কেউ যখন উত্তমরূপে উযু করে শুধুমাত্র সালাতের উদ্দেশ্যেই মসজিদে যায়, এবং একমাত্র সলাতই তাকে (ঘর থেকে) বের করে, তাহলে মসজিদে পৌছা পর্যন্ত তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং একটি করে গুনাহ ক্ষমা হয়। মসজিদে প্রবেশের করার পর সেখানে যতক্ষণ পর্যন্ত সে সালাতের জন্য অবস্থান করবে ততক্ষণ তাকে সালতের মধ্যে গণ্য করা হবে। সে যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁর সলাত আদায়ের স্থানে অবস্থান করে মালায়িকাহ তার জন্য এই বলে দু'আ করতে থাকেঃ "হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন। হে আল্লাহ! তার তওবাহ কবুল করুন।" যতক্ষণ পর্যন্ত সে কাউকে কষ্ট না দেয় অথবা তার উযু না ভাঙ্গে ততক্ষণ পর্যন্ত মালায়িকাহ(ফেরেশতাগণ) তার জন্য এরূপ দু'আ করতে থাকে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->মসজিদ ও জামাআত বাব->জামাআতে সালাত পড়ার ফাদীলাত। হাঃ-৭৮৬

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বলেছেন, কোন ব্যক্তির জামাআতে সালাত তার ঘরে বা বাজারে পড়া সালাত অপেক্ষা বিশ গুণের অধিক মর্যাদাপূর্ণ। [৭৮৪]