সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->‘ইশার সালাত জামা‘আতে আদায় করার ফযীলত । হাঃ-৬৫৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুনাফিকদের জন্য ফজর ও ‘ইশার সালাত অপেক্ষা অধিক ভারী সালাত আর নেই। এ দু’ সালাতের কী ফযীলত, তা যদি তারা জানতো, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো। (রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন) আমি ইচ্ছে করেছিলাম যে, মুয়াজ্জিনকে ইক্বামাত দিতে বলি এবং কাউকে লোকদের ইমামত করতে বলি, আর আমি নিজে একটি আগুনের মশাল নিয়ে গিয়ে অতঃপর যারা সালাতে আসেনি, তাদের উপর আগুন ধরিয়ে দেই।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->জামা’আত পরিত্যাগের ব্যাপারে সাবধান বাণী হাঃ-৫৪৮

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার ইচ্ছা হয়, (লোকদেরকে জামা’আতে) সলাত আদায়ের নির্দেশ দেই এবং কাউকে লোকদের সলাত আদায় করাবার হুকুম করি, অতঃপর লাকড়ি বহনকারী কিছু লোককে সাথে নিয়ে আমি বেরিয়ে পড়ি সেগুলো দ্বারা ঐসব লোকের ঘর-বাড়ি আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দেয়ার জন্য যারা জামা’আতে (সলাত আদায় করতে) উপস্থিত হয়নি। সহীহঃ বুখারী।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->মসজিদ ও জামাআত বাব->সালাতের জামাআত ত্যাগ করার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি। হাঃ-৭৯১

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি সালাত কায়েমের নির্দেশ দেই এবং এক ব্যক্তিকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে আদেশ করি। অতঃপর আমি লাকড়িসহ একদল লোককে নিয়ে বেরিয়ে যাই সেইসব লোকের নিকট যারা জাআমাতে উপস্থিত হয়নি, অতঃপর তাদেরসহ তাদের বসতি আগুন দিয়ে ভস্মীভূত করে দেই। [৭৮৯]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->মসজিদ ও জামাআত বাব->ইশা ও ফজরের সালাত জামাআতে পড়ার ফাদীলাত। হাঃ-৭৯৭

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্ললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুনাফিকদের সবচেয়ে ভারবহ (কষ্টকর) হচ্ছে ইশা এবং ফজরের সালাত। তারা যদি এই দু’সালাতের ফাদীলাত সম্পর্কে অবহিত থাকতো, তাহলে অবশ্যই তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে হাযির হতো। [৭৯৫]