আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, জামা‘আতের সালাত তোমাদের কারো একাকী সালাত হতে পঁচিশ গুণ অধিক সওয়াব রাখে। আর ফজরের সালাতে রাতের ও দিনের মালাকগণ (ফেরেশতাগণ) একত্রিত হয়। অতঃপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলতেন, তোমরা চাইলে (এর প্রমাণ স্বরূপ) ------- অর্থাৎ “ফজরের সালাতে (মালাকগণ (ফেরেশতাগণ)) উপস্থিত হয়”- (সূরা ইসরা ১৭/১৮) এ আয়াত পাঠ কর।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, জামা‘আতের সঙ্গে সলাত আদায় করার ফাযীলাত একাকী সলাত পড়ার চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশী। আর ফাজ্রের সলাতে রাতের মালায়িকা এবং দিনের মালায়িকা সমবেত হয় (এ প্রসঙ্গে) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে এ আয়াতটি পড়ে নিতে পার। وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا (নিশ্চয় কায়িম করবে) “ফাজ্রের সলাত, ফাজ্রের সলাত” সাক্ষ্য হিসেবে পেশ করা হয়। [১৭৬] (আ.প্র. ৪৩৫৪, ই.ফা. ৪৩৫৮)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : একা সালাত আদায় করার চেয়ে জামাআতে সালাত আদায় করা পঁচিশ গুণ বেশি শ্রেষ্ঠ। রাত ও দিনে (আগমনকারী) ফেরেশতার দল ফজরের সালাতের সময় একত্রিত হয়। সুতরাং এতদ্বিষয়ে তোমরা এই আয়াতটি তিলাওয়াত করতে পার : [১] (আরবী)