সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->‘ইশার সময় ও তাতে বিলম্ব করা হাঃ-১৩৪১

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ গেঁয়ো বেদুঈন লোকেরা যেন তোমাদের সলাতের নামকরণের ব্যাপারে প্রভাব বিস্তার না করে বসে। জেনে রাখো সলাতের নাম হলো ইশা। আর তারা উট দোহন করতে দেরী করে তাই এ সলাতকেও তারা ‘আতামাহ্’ [১] বলে। (ই.ফা.১৩২৮, ই.সে.১৩৪০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->যে জিনিস সলাতকে নষ্ট করে দেয় হাঃ-৭০৪

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ সুতরাহ ছাড়া সলাত আদায় করলে তার সামনে দিয়ে কুকুর, গাধা, শূকর, ইয়াহূদী, অগ্নিউপাসক অথবা স্ত্রীলোক অতিক্রম করলে তার সলাত নষ্ট হয়ে যাবে। অবশ্য কঙ্কর নিক্ষেপের দূরত্বের বাইরে দিয়ে যদি অতিক্রম করে, তাহলে তার সলাত হয়ে যাবে। দুর্বলঃ মিশকাত ৭৮৯। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটির ব্যাপারে আমি কিছু (সন্দেহ) অনুভব করছি। ইবরহীম (রহঃ) প্রমুখের সাথে এ হাদীস সম্পর্কে আলোচনা করে আমি দেখলাম, হাদীসটি হিশাম থেকে কেউই বর্ণনা করেননি এবং এ ব্যাপারে অজ্ঞতা প্রকাশ করেন। হাদীসটিকে কাউকেই আমি হিশামের সাথে সম্পর্কিত করতে দেখিনি। আমার ধারনা মতে ইবনু আবী সামীনাহ হতে সন্দেহের সূত্রপাত হয়েছে। হাদীসটিতে ‘অগ্নিউপাসক’ ‘কঙ্কর নিক্ষেপের দূরত্ব’ এবং ‘শূকর’-এর উল্লেখ প্রত্যাখ্যাত ও অগ্রহণযোগ্য। ইমামা আবূ দাউদ (রহঃ) আরো বলেন, আমি হাদীসটি কেবলমাত্র মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাইল আল-বাসরী থেকে শুনেছি। আমার ধারনা, তিনি ভুলে পতিত হয়েছেন। কারণ হাদীসটি তিনি তার মুখস্থ থেকে বর্ণনা করেছেন। [৭০৩]


সুনানে আবু দাউদ অঃ->শিষ্টাচার বাব->আতামার সলাত হাঃ-৪৯৮৪

আবূ সালামহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ বেদুঈনরা যেন সলাতের ওয়াক্তের নামকরণের ক্ষেত্রে তোমাদেরকে পরাভূত করতে না পারে। জেনে রাখো, সেটি হলো ইশার সলাত। কিন্তু তারা রাতের অন্ধকার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করে উটের দুধ দোহন করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাতের ওয়াক্তসমূহ বাব->ইশাকে আতামাহ বলা মাকরূহ হাঃ-৫৪১

ইব্‌ন উমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বেনুঈনগণ যেন এই সালাতের নামের ব্যাপারে তোমাদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে না পারে। কেননা তারা উট দোহনের কারনে ‘আতামা বা অন্ধকারে উপনীত হয় (তাই একে ‘আতামা বলে)। প্রকৃতপক্ষে এটি ইশা।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাতের ওয়াক্তসমূহ বাব->ইশাকে আতামাহ বলা মাকরূহ হাঃ-৫৪২

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মিম্বরে (বসে) বলতে শুনেছি যে, বেদুঈনগন যেন সালাতের নামের ব্যাপারে তোমাদের উপর প্রভাব বিস্তার না করে। জেনে রেখো, এটি ইশা।