সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->ফজর ও ‘আসর সলাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া হাঃ-১৩২২

আবূ বাকর ইবনু ‘উমারাহ্ ইবনু রুআয়বাহ্ তার পিতা রুআয়বাহ্ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছিঃ এমন কোন ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের পূর্বের এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সলাত অর্থাৎ- ফজর ও আসরের সলাত আদায় করে। এ কথা শুনে বাসরার অধিবাসী একটি লোক তাকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি নিজে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট থেকে এ কথা শুনেছ? সে বলল, হ্যাঁ। তখন লোকটি বলে উঠল, আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজে এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। আমার দু’কান তা শুনেছে আর মন তা স্মরণ রেখেছে। (ই.ফা.১৩০৯, ই.সে.১৩২১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->সলাতসমূহের হিফাযাত করা হাঃ-৪২৭

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘উমারাহ ইবনু রুয়াইবাহ হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বাসরাহর এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করল, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা শুনেছেন আমাকে তা বলুন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বলতে শুনেছিঃ ঐ ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না, যে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে সলাত আদায় করবে। লোকটি বললো, আপনি কি একথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন? এরূপ তিনবার বলল। এর জবাবে তিনি প্রত্যেকবারই বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমার কান তা শুনেছে এবং আমার অন্তর তা সংরক্ষণ করেছে। অতঃপর লোকটি বলল, আমিও তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে এরূপ বলতে শুনেছি। সহীহঃ মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত বাব->আসরের সালাতের ফযীলত ও মাহাত্ম্য হাঃ-৪৭১

উমারা ইব্‌ন রুওযাইবা সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি সূর্য উদয় হওয়ার পূর্বের (ফজরের) সালাত এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বের (আসরের) সালাত আদায় করবে, সে কখনও জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত বাব->জামাআতে সালাত আদায় করার ফযীলত হাঃ-৪৮৭

উমারা ইব্‌ন রুওয়ায়বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সূর্য উদয়ের পূর্বে ফজরের সালাত এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বে (আসরের) সালাত আদায় করবে, সে ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।