সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->কবরের ‘আযাব হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা। হাঃ-১৩৭৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করতেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার সমীপে পানাহ চাচ্ছি কবরের শাস্তি হতে, জাহান্নামের শাস্তি হতে, জীবন ও মরণের ফিতনা হতে এবং মাসীহ দাজ্জাল এর ফিতনা হতে।


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->ভীরুতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা। হাঃ-২৮২৩

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই দু‘আ করতেন, ‘হে আল্লাহ্‌! আমি অক্ষমতা, ভীরুতা ও বার্ধক্য থেকে আপনার নিকট পানাহ চাচ্ছি এবং জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে এবং কবরের আযাব থেকে আপনার নিকট পানাহ চাচ্ছি।’


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আর আপনার রবের ‘ইবাদাত করতে থাকুন যে পর্যন্ত না আপনার কাছে মৃত্যু এসে উপস্থিত হয়। (সূরা হিজর ১৫/৯৯) হাঃ-৪৭০৭

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দু‘আ করতেন (হে আল্লাহ্!) আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কৃপণতা থেকে, অলসতা থেকে, চলৎশক্তিহীন বয়স থেকে, কবরের আযাব থেকে, দাজ্জালের ফিত্না থেকে এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিত্না থেকে। [২৮২৩] (আ.প্র. ৪৩৪৭, ই.ফা. ৪৩৪৭)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌না থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা । হাঃ-৬৩৬৭

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রায়ই বলতেন : হে আল্লাহ্‌! নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা এবং অত্যধিক বার্ধক্য থেকে। আরও আশ্রয় প্রার্থনা করছি, ক্ববরের আযাব হতে। আর আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌না হতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৪)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->প্রাচুর্যের ফিত্‌না থেকে আশ্রয় প্রার্থনা । হাঃ-৬৩৭৬

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহ্‌র আশ্রয় চেয়ে বলতেন : হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নামের ফিত্‌না, জাহান্নামের শাস্তি হতে। আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি ক্ববরের ফিত্‌না হতে এবং আপনার আশ্রয় চাচ্ছি ক্ববরের 'আযাব হতে। আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি প্রাচুর্যের ফিত্‌না হতে, আর আমি আশ্রয় চাচ্ছি অভাবের ফিত্‌না হতে। আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি মাসীহ্‌ দাজ্জালের ফিত্‌না থেকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতের মধ্যে যে সকল বিষয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয় হাঃ-১২১১

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা কেউ যখন (সলাতে) তাশাহহুদ পড় তখন চারটি জিনিস থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রার্থনা করবে। এ বলে দু’আ করবেঃ “আল্লহুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বি জাহান্নাম ওয়ামিন ‘আযা-বিল কবরি ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া- ওয়াল মামা-তি ওয়ামিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল”- (অর্থাৎ, হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জাহান্নাম ও কবরের ‘আযাব থেকে, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।) (ই.ফা. ১২০০, ই.সে. ১২১১)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতের মধ্যে যে সকল বিষয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয় হাঃ-১২১৬

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে তার ‘আযাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আশ্রয় চাও। ক্ববরের ‘আযাব থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। আর জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌নাহ্‌ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। (ই.ফা. ১২০৫, ই.সে. ১২১৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতের মধ্যে যে সকল বিষয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয় হাঃ-১২২০

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে যেভাবে কুরআন মাজীদের সূরাহ্‌ শিখাতেন ঠিক তেমনিভাবে এ দু’আটিও শিখাতেন, দু’আটি হলোঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্না- না’ঊযুবিকা মিন আযা-বি জাহান্নাম ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বব্‌রি ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাসীহিদ্‌ দাজ্জা-ল, ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাহ্‌ইয়া-ওয়াল মামা-ত” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে জাহান্নামের ‘আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিত্‌নাহ্‌ থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌নাহ্‌ থেকে আশ্রয় চাই।)। মুসলিম ইবনু হাজ্জাজা বলেনঃ ত্বাউস (একদিন) তার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি সলাত আদায় করার সময় কি এ দু’আটি পড়েছ? সে বলল, ‘না’। এ কথা শুনে ত্বাউস বললেন, তুমি পুনরায় সলাত আদায় কর। কারণ ত্বাউস (তোমার পিতা) তিন, চার বা তার বক্তব্য অনুসারে কম বা বেশী লোকের নিকট থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন অথবা তিনি এরূপ বলেছেন। (ই. ফা. ১২০৯, ই.সে. ১২২০-১২২১)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->অক্ষমতা, অলসতা ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৬৭৬৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আসমূহ পাঠ করতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল বুখ্লি ওয়াল কাসালি ওয়া আর্যালিল ‘উমুরি ওয়া ‘আযা-বিল কব্রি ওয়া ফিতনাতিল মাহ্ইয়া- ওয়াল মামা-ত”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে বখিলতা, অলসতা, নিকৃষ্ট জীবন-যাপন, কবরের শাস্তি এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।” (ই.ফা. ৬৬২৯, ই.সে. ৬৬৮৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->তাশাহ্হুদের পরে কি পাঠ করবে? হাঃ-৯৮৪

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত তাশাহুদের পর বলতেনঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উযুবিকা মিন ‘আযাবি জাহান্নাম, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবরি, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দাজ্জাল, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি”। (অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জাহান্নামের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি দাজ্জালের ফিতনাহ হতে এবং আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ হতে)।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->তাশাহ্হুদের পরে কি পাঠ করবে? হাঃ-৯৮৪

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত তাশাহুদের পর বলতেনঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উযুবিকা মিন ‘আযাবি জাহান্নাম, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবরি, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দাজ্জাল, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি”। (অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জাহান্নামের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি দাজ্জালের ফিতনাহ হতে এবং আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ হতে)।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->তাশাহ্হুদের পরে কি পাঠ করবে? হাঃ-৯৮৪

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত তাশাহুদের পর বলতেনঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উযুবিকা মিন ‘আযাবি জাহান্নাম, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবরি, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দাজ্জাল, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি”। (অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জাহান্নামের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি দাজ্জালের ফিতনাহ হতে এবং আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ হতে)।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিতর সালাত বাব->(আল্লাহর কাছে) আশ্রয় প্রার্থণা করা হাঃ-১৫৪০

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অক্ষমতা, অলসতা, ভীরুতা, কৃপণতা ও বার্ধক্য হতে আশ্রয় চাই, আশ্রয় চাই ক্ববরের শাস্তি হতে এবং আশ্রয় চাই জীবন ও মরণের বিপদাপদ হতে”। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিতর সালাত বাব->(আল্লাহর কাছে) আশ্রয় প্রার্থণা করা হাঃ-১৫৪২

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিচের দু’আটি এমনভাবে শিখাতেন, যেমনভাবে তাদেরকে কুর্‌আনের সূরাহ শিক্ষা দিতেন। তিনি বলেনঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জাহান্নামের আযাব হতে আশ্রয় চাই, ক্ববরের আযাব হতে আশ্রয় চাই, আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনাহ হতে এবং আশ্রয় চাই জীবন মরণের বিপদাপদ হতে”। সহীহঃ মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->দুআ বাব->যা থেকে আশ্রয় চেয়েছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাঃ-৩৮৪০

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিম্নোক্ত দুআ’টি আমাদেরকে এতো গুরুত্ব সহকারে শিক্ষা দিতেন যত গুরুত্ব সহকারে তিনি আমাদের কুরআনের কোন সূরা শিক্ষা দিতেন : “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই জাহান্নামের আযাব থেকে, তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে এবং তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই জীবন ও মৃত্যুর বিপর্যয় থেকে”। [৩১৭২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->দুআ বাব->যা থেকে আশ্রয় চেয়েছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাঃ-৩৮৪০

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিম্নোক্ত দুআ’টি আমাদেরকে এতো গুরুত্ব সহকারে শিক্ষা দিতেন যত গুরুত্ব সহকারে তিনি আমাদের কুরআনের কোন সূরা শিক্ষা দিতেন : “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই জাহান্নামের আযাব থেকে, তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে এবং তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই জীবন ও মৃত্যুর বিপর্যয় থেকে”। [৩১৭২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->দুআ বাব->যা থেকে আশ্রয় চেয়েছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাঃ-৩৮৪০

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিম্নোক্ত দুআ’টি আমাদেরকে এতো গুরুত্ব সহকারে শিক্ষা দিতেন যত গুরুত্ব সহকারে তিনি আমাদের কুরআনের কোন সূরা শিক্ষা দিতেন : “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই জাহান্নামের আযাব থেকে, তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে এবং তোমার নিকট আরও আশ্রয় চাই জীবন ও মৃত্যুর বিপর্যয় থেকে”। [৩১৭২]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->(দুশ্চিন্তা হতে আশ্রয় প্রার্থনা) হাঃ-৩৪৮৫

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি আশ্রয় প্রার্থনা করি অলসতা, বার্ধক্য, কাপুরূষতা, কৃপণতা, মাসীহ্‌ দাজ্জালের পরীক্ষা এবং ক্ববরের শাস্তি হতে”। সহীহঃ সহীহ আবূ দাঊদ (হাঃ ১৩৭৭), বুখারী ও মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->(যে দু’আটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআনের সূরা শিখানোর ন্যায় গুরুত্ব নিয়ে শিখাতেন) হাঃ-৩৪৯৪

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , এ দু’আটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে এমন ভাবে শিক্ষা দিতেন, যেভাবে তিনি কুরআনের কোন সূরা তাদেরকে শিক্ষা দিতেনঃ “ হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে আমি আশ্রয় চাই জাহান্নামের শাস্তি হতে, কবরের শাস্তি হতে এবং তোমার নিকট আরো আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিত্‌না হতে। তোমার নিকট আমি আরো আশ্রয় চাই জীবন ও মৃত্যুর বিপর্যয় হতে”। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৪০) , মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->কবরের আযাব থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থণা করা হাঃ-২০৬০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলতেন, (আরবী)


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->কবরের আযাব থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থণা করা হাঃ-২০৬৩

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবায়ে কিরামকে এই দোয়া শিক্ষা দিতেন যেভাবে তিনি তাদের কুরআনের সুরা শিক্ষা দিতেনঃ (আরবী)


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->কৃপণতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৪৪৮

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ্‌! আমি অপারগতা, অলসতা, কৃপণতা, চরম বার্ধক্য এবং জীবন ও মরণের ফিতনা হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->অপারগতা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৪৫৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! আমি অপারগতা, অলসতা, কৃপণতা, কাপুরুষতা, চরম বার্ধক্য, কবর আযাব এবং জীবন-মরণের ফিতনা হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->চরম বার্ধক্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৪৯০

শুআয়ব (রহঃ) তাঁর পিতা ও দাদা থেকে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আলস্য, চরম বার্ধক্য, ঋণ এবং গুনাহ থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর কানা দাজ্জালের অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাচ্ছি এবং আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে, আর আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি দোযখের আযাব হতে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->চরম বার্ধক্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৪৯০

শুআয়ব (রহঃ) তাঁর পিতা ও দাদা থেকে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আলস্য, চরম বার্ধক্য, ঋণ এবং গুনাহ থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর কানা দাজ্জালের অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাচ্ছি এবং আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে, আর আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি দোযখের আযাব হতে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->চরম বার্ধক্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৪৯০

শুআয়ব (রহঃ) তাঁর পিতা ও দাদা থেকে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আলস্য, চরম বার্ধক্য, ঋণ এবং গুনাহ থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর কানা দাজ্জালের অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাচ্ছি এবং আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে, আর আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি দোযখের আযাব হতে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->দোযখের আযাব ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫০৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি দোযখের আযাব হতে আল্লাহ তা’আলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আর আমি কবরের আযাব হতে আল্লাহর আশ্রয় কামনা করি, আমি দাজ্জালের ফিতনা হতে আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি এবং জীবন-মরণের ফিতনার অনিষ্ট থেকেও আল্লাহ তা’আলার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->দোযখের আযাব ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫০৬

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, কবরের আযাব হতে, আর আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি দোযখের আযাব হতে, আর আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জীবন-মরণের ফিতনা হতে এবং আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->জীবিতকালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫০৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কবরের আযাব থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে; তোমরা জীবিতকাল ও মরণকালের ফিতনা হতেও আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে; আর তোমরা দাজ্জালের ফিতনা থেকেও আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->জীবিতকালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫০৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচটি বস্তু হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন, তিনি বলতেনঃ তোমরা কবরের আযাব, দোযখের আযাব থেকে, জীবন-মরণের ফিতনা থেকে এবং কানা দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->জীবিতকালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫১১

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কবরের আযাব, দোযখের আযাব, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা এবং দাজ্জালের ফিতনা– এই পাঁচটি বস্তু থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫১২

আবদুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে যেমন কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন, তেমনি এই দু’আ শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ বল, হে আল্লাহ্‌! আমরা আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি দোযখের আযাব হতে, আর আমরা আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি, কবরের আযাব হতে, আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি দাজ্জালের ফিতনা হতে এবং আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫১৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে আল্লাহর আযাব হতে, আর আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে জীবন ও মরণের ফিতনা হতে, আর কবরের আযাব এবং দাজ্জালের ফিতনা থেকে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫১৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করতেন এবং দু’আয় তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি দোযখের আযাব হতে, আপনার আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব হতে, আপনার আশ্রয় চাচ্ছি দাজ্জালের ফিতনা হতে এবং আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->কবরের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫১৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে তাঁর দু’আয় বলতে শুনেছিঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি কবরের ফিতনা, দাজ্জালের ফিতনা এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->আল্লাহ্‌র আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫১৬

আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট আল্লাহ্‌র আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করবে, তোমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে কবরের আযাব থেকে, তোমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে জীবন ও মরণের ফিতনা হতে এবং তোমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে কানা দাজ্জালের ফিতনা থেকে।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->দোযখের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫১৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাহান্নামের আযাব, কবরের আযাব এবং কানা দাজ্জালের ফিতনা থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->জাহান্নামের আগুনের উত্তাপ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫২০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূল কাসেম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তাঁর সালাতে বলতে শুনেছিঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি; কবরের ফিতনা, দাজ্জালের ফিতনা, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা এবং জাহান্নামের আগুনের উত্তাপ থেকে।