সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সালামের আগে দু’আ । হাঃ-৮৩২

‘উরওয়াহ ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে বলেছেন যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে এ বলে দু’আ করতেন: اللَّهُمَّ  إِنّي أَعوُذُبِكَ مِن عَذابِ القَبرِ واعوُذُبِكَ مِن فِتنَةِ المَسيِحِ الدَجّاَلِ واعوُذُبِكَ مِن فِتنَةِ المَحياَ وَفِتنَةِ المَماتِ “কবরের আযাব হতে, মাসীহে দাজ্জালের ফিত্‌না হতে এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌না হতে ইয়া আল্লাহ! আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! গুনাহ ও ঋণগ্রস্থতা হতে আপনার নিকট আশ্রয় চাই।” তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, আপনি কতই না ঋণগ্রস্থতা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। তিনি (আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) বললেনঃ যখন কোন ব্যক্তি ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়ে তখন বলার সময় মিথ্যা বলে এবং ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে। মুহাম্মদ ইব্‌ন ইউসুফ (র.) বলেন, খালফ ইব্‌ন আমির (র.)-কে বলতে আমি শুনেছি যে, مَسيح ও مَسيح এর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। উভয় শব্দই সমার্থবোধক তবে একজন হলেন ঈসা (আ.) এবং অপর ব্যক্তি হলো দাজ্জাল।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সালামের আগে দু’আ । হাঃ-৮৩৩

‘উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সালাতে দাজ্জালের ফিতনা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।


সহিহ বুখারী অঃ->ঋণ গ্রহণ, ঋণ পরিশোধ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও দেউলিয়া ঘোষণা বাব->ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়া। হাঃ-২৩৯৭

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে এই বলে দু’আ করতেন, হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে গুনাহ এবং ঋণ হতে পানাহ চাচ্ছি। একজন প্রশ্নকারী বলল, (হে আল্লাহর রসূল)! আপনি ঋণ হতে এত বেশী বেশী পানাহ্‌ চান কেন? তিনি জওয়াব দিলেন, মানুষ ঋণগ্রস্ত হলে যখন কথা বলে মিথ্যা বলে এবং ওয়াদা করলে তা খেলাফ করে।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->সলাতের মধ্যে দু‘আ করা সম্পর্কে হাঃ-৮৮০

‘উরওয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে অবহিত করেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে এ দু‘আ পড়তেনঃ “আল্লাহুমা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্ববরি ওয়া আ‘উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জাল ওয়া আ‘উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাত। আল্লাহুমা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিনাল মা’সামি ওয়াল মাগরাম।” তখন এক ব্যাক্তি বললো, মাগরাব (ঋণ) হতে অধিক পরিমাণে আশ্রয় প্রার্থনার কারণ কি? জবাবে তিনি বললেন, কোন ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত হলে কথা বলার সময় মিথ্যা বলে এবং ওয়াদাহ্ করলে তা ভঙ্গ করে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আর এক প্রকার (তা’আউউয) হাঃ-১৩০৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে এই দোয়া পড়তেন, (আরবি) তখন তাকে কেউ বলল, আপনি প্রায়ই ঋণগ্রস্ততা থেকে পানাহ চেয়ে থাকেন কেন? তিনি বললেন, কোন লোক যখন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে, তখন সে কথা বলতে মিথ্যা বলে এবং ওয়াদা করে খেলাফ করে।