সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->‘ইশার সালাতে সশব্দে কিরাআত । হাঃ-৭৬৬

আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সঙ্গে ‘ইশার সালাত আদায় করলাম। সেদিন তিনি 'إِذاَ السَّماءُ انشَقَّت' সূরাটি তেলাওয়াত করে সিজদা করলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে এ সিজদা করেছি, তাই তাঁর সঙ্গে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত এ সূরায় সিজদা করব।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->‘ইশার সালাতে সিজদার আয়াত (সম্বলিত সুরা) তেলাওয়াত । হাঃ-৭৬৮

আবূ রাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সঙ্গে ‘ইশার সালাত আদায় করলাম। তিনি 'إِذاَ السَّماءُ انشَقَّت' সূরাটি তেলাওয়াত করে সিজদা করলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, এ সিজদা কেন? তিনি বলেন, আমি আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে এ সূরায় সিজদা করেছি, তাই তাঁর সঙ্গে মিলিত না হওয়া অবধি আমি এতে সিজদা করব।


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন তিলাওয়াতের সিজ্‌দা বাব->সলাতে সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা করা। হাঃ-১০৭৮

আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একবার আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর সাথে ‘ইশার সালাত আদায় করেছিলাম। তিনি সলাতে (আরবী) সূরা তিলাওয়াত করে সিজদা করলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ কী? তিনি বললেন, এ সূরা তিলাওয়াতের সময় আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে আমি এ সিজদা করেছিলাম। তাই তাঁর সঙ্গে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত এভাবে আমি সিজদা করতে থাকব।


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->কুরআন তিলওয়াতের সাজদাহ্ হাঃ-১১৯৩

আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) -কে সূরাহ্‌ “ইযাস্‌ সামা-উন শাক্বক্বাত” পড়ে সাজদাহ্ করতে দেখেছি। তাই আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এ সূরাহ্‌ তিলাওয়াত করে সাজদাহ্ করেন? জবাবে তিনি বললেন, আমি আমার প্রিয়তম বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ সূরাহ্ তিলাওয়াত সাজদাহ্ করতে দেখেছি। সুতরাং তাঁর ( (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর) সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত আমি এ সূরাহ্‌ তিলাওয়াত করে সাজদাহ্ করতে থাকব। হাদীসটি বর্ণনাকারী শু’বাহ্ বলেনঃ আমি ‘আত্বা ইবনু আবূ মায়মূনাকে জিজ্ঞেস করলাম “আমার প্রিয়তম বন্ধু” বলতে কি আবূ হুরায়রাহ্ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বুঝিয়েছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা.১১৮২, ই.সে. ১১৯৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->কুরআন তিলাওয়াতের সিজদাসমূহ বাব->সূরাহ ইযাস-সামাউন-শাক্কাত ও সূরাহ ইক্বরা- এর সিজদা সম্পর্কে হাঃ-১৪০৮

আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সাথে ‘ইশার সলাত আদায় করি। তিনি সূরাহ ‘ইযাস্‌-সামাউন শাক্কাত’ তিলাওয়াত করে সিজদা করলেন। আমি তাকে বলি, এ সিজদা কিসের? তিনি বললেন, আমি আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে এ সিজদা করেছি এবং মৃত্যু পর্যন্ত আমি এ সিজদা আদায় করতে থাকবো। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->ফরয সালাতে সিজদা করা হাঃ-৯৬৮

আবু রাফি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রা)-এর পেছনে ইশার সালাত আদায় করেছি। তিনি (আরবী) পাঠ করে তাতে সিজদা করলেন। যখন সালাত শেষ করলেন, আমি বললাম, হে আবু হুরায়রা! আমরা তো এ সিজদা করতাম না। তিনি বললেন, এ সিজদা করেছেন আবুল কাসেম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তখন আমি তাঁর পেছনে ছিলাম। অতএব, আমি সর্বদা এ সিজদা করতে থাকব, যতদিন না আমি আবুল কাসেম-এর সঙ্গে মিলিত হব।