সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন তিলাওয়াতের সিজ্‌দা বাব->তিলাওয়াতকারীর সিজদার কারণে সিজদা করা। হাঃ-১০৭৫

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার আমাদের সামনে এমন এক সূরা তিলাওয়াত করলেন যাতে সিজদার আয়াত রয়েছে। তাই তিনি সিজদা করলেন এবং আমরাও সিজদা করলাম। ফলে অবস্থা এমন দাঁড়াল যে, আমাদের কেউ কেউ কপাল রাখার জায়গা পাচ্ছিলেন না।


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন তিলাওয়াতের সিজ্‌দা বাব->ইমাম যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করেন তখন লোকের ভীড়। হাঃ-১০৭৬

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করতেন এবং আমরা তাঁর নিকট থাকতাম, তখন তিনি সিজদা করতেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে সিজদা করতাম। এতে এত ভীড় হতো যে, আমাদের মধ্যে কেউ কেউ সিজদা করার জন্য কপাল রাখার জায়গা পেত না।


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন তিলাওয়াতের সিজ্‌দা বাব->ভীড়ের কারণে সিজদা করার স্থান না পেলে। হাঃ-১০৭৯

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এমন সূরা তিলাওয়াত করতেন যাতে সিজদা আছে, তখন তিনি সিজদা করতেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে সিজদা করতাম। এমন কি (ভীড়ের কারণে) আমাদের মধ্যে কেউ কেউ কপাল রাখার জায়গা পেত না।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->কুরআন তিলাওয়াতের সিজদাসমূহ বাব->বানে আরোহী অবস্থায় কিংবা সলাতের বাইরে সিজদার আয়াত শুনলে হাঃ-১৪১২

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সামনে সূরাহ পড়লেন। ইবনু নুমাইর বলেন, সলাতের বাইরে, অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী বর্ণনা করেন, তিনি সিজদা করলে আমরাও তাঁর সাথে সিজদা করতাম। এমনকি (ভীড়ের কারণে) আমাদের কেউ কেউ স্বীয় কপাল রাখার জায়গাও পেতো না। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।