মানসুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে হবে। (ই.ফা. ১১৫৬, ই.সে. ১১৬৬)
মানসুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে যেটি সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করবে সেটিই গ্রহন করবে। (ই.ফা. ১১৫৭, ই.সে. ১১৬৭)
মানসুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে যেটি সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করবে সেটিই গ্রহন করবে। (ই.ফা. ১১৫৭, ই.সে. ১১৬৮)
আব্দুল্লাহ (ইব্ন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের কারো যদি সালাতে সন্দেহের উদ্রেক হয় তা হলে সে যেন ভেবে দেখে। যা সে সঠিক মনে করে তা পূর্ণ করবে, তারপর দু'টি সিজদা করে নেবে। রাবী বলেন, আমি হাদীসের কিছু শব্দ যেরকম ভাবে ইচ্ছা করেছিলাম সে রকমভাবে বুঝে উঠতে পারিনি।
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক ওয়াক্তের সলাত পড়লেন। আমরা বুঝতে পারলাম না যে, তিনি বেশি পড়লেন নাকি কম পড়লেন। তিনি আমাদের জিজ্ঞেস করলে আমরা তাঁকে (অনুমানে) বললাম। তিনি তাঁর পা ঘুরিয়ে কিবলামুখী হয়ে দুটি সাজ়দাহ করেন, অতঃপর সালাম ফিরান। অতঃপর তিনি আমাদের দিকে মুখ ঘুরিয়ে (বসে) বলেন, সলাতে নতুন কিছু ঘটলে অবশ্যই আমি তা তোমাদের অবহিত করতাম। অবশ্যই আমি একজন মানুষ; আমিও বিস্মৃত হই, যেমন তোমরা বিস্মৃত হও। অতএব আমি বিস্মৃত হলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিবে। তোমাদের কারো সলাতের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হলে সে যেন চিন্তা করে। আর এটাই যথার্থতার অধিক নিকটবর্তী। সে তার ভিত্তিতে সলাত পূর্ণ করবে, সালাম ফিরাবে এবং দু’টি সাজদাহ করবে। [১২১১]
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কারো সলাতের মধ্যে সন্দেহ হলে সে যেন সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চিন্তা করে (ভেবে দেখে), অতঃপর দু’টি সাজদাহ করে। আত-তানাফিসী (রহঃ) বলেন, এটি একটি মূলনীতি যা প্রত্যাখ্যান করার অধিকার কেউ রাখে না। [১২১২]