সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->কাঁচা রসুন, পিঁয়াজ ও দুর্গন্ধযুক্ত মসলা বা তরকারী । হাঃ-৮৫৩

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের যুদ্ধের সময় বলেন, যে ব্যক্তি এই জাতীয় বৃক্ষ হতে অর্থাৎ কাঁচা রসুন খায় সে যেন অবশ্যই আমাদের মসজিদে না আসে।


সহিহ বুখারী অঃ->আহার সংক্রান্ত বাব->রসূন ও (দূর্গন্ধযুক্ত) তরকারী মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে হাঃ-৫৪৫১

‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করা হলঃ আপনি রসূন সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে কী শুনেছেন? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি তা খাবে সে যেন আমাদের মাসজিদের কাছেও না আসে (এ কথা শুনেছি)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৪)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->যে ব্যক্তি রসুন খেয়েছে সে যেন মাসজিদে প্রবেশ না করে। হাঃ-১০১৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই গাছ অর্থাৎ রসুন খায়, সে যেন তার দ্বারা আমাদের এই মাসজিদে (এসে) আমাদের কষ্ট না দেয়। ইবরাহীম বিন সা‘দ (রাঃ) বলেন, আমার পিতা এর সাথে দুর্গন্ধযুক্ত তরকারী ও পিঁয়াজকে শামিল করতেন। অর্থাৎ তিনি রসুন সম্পর্কিত আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের সাথে ঐগুলোকেও যোগ করতেন।[১০১৫]