সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->কাঁচা রসুন, পিঁয়াজ ও দুর্গন্ধযুক্ত মসলা বা তরকারী । হাঃ-৮৫৩

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের যুদ্ধের সময় বলেন, যে ব্যক্তি এই জাতীয় বৃক্ষ হতে অর্থাৎ কাঁচা রসুন খায় সে যেন অবশ্যই আমাদের মসজিদে না আসে।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->কাঁচা রসুন, পিঁয়াজ ও দুর্গন্ধযুক্ত মসলা বা তরকারী । হাঃ-৮৫৪

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ যদি এ জাতীয় গাছ হতে খায়, তিনি এ দ্বারা রসুন বুঝিয়েছেন, সে যেন আমাদের মসজিদে না আসে। (রাবী আতা (রহঃ) বলেন) আমি জাবির (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বারা কী বুঝিয়েছেন? (জাবির (রাঃ) বলেন, আমার ধারণা যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর দ্বারা কাঁচা রসুন বুঝিয়েছেন এবং মাখ্‌লাদ ইব্‌নু ইয়াযীদ (রহঃ) ইব্‌নু জুরাইজ (রহঃ) হতে দুর্গন্ধযুক্ত হবার কথা উল্লেখ করেছেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->রসুন, পিঁয়াজ, মুলা অথবা এ জাতীয় (দুর্গন্ধযুক্ত) দ্রব্য আহার করে (মাসজিদে প্রবেশ) নিষিদ্ধ হাঃ-১১৪২

ইবনু জুরায়জ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব সব্জি জাতীয় গাছ অর্থাৎ -রসুন খাবে সে যেন আমার মাসজিদে- আমাদের কাছে না আসে। তবে তিনি (ইবনু জুরায়জ) বর্ণিত হাদিসে পিঁয়াজ ও গো-রসুনের কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১১৩৫, ই.সে. ১১৪৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->খাদ্যদ্রব্য বাব->রসুন খাওয়া সম্পর্কে হাঃ-৩৮২৫

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি এ গাছ (পিয়াজ) খাবে সে অবশ্যই যেন মাসজিদসমূহের নিকটে না আসে।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->যে ব্যক্তি রসুন খেয়েছে সে যেন মাসজিদে প্রবেশ না করে। হাঃ-১০১৬

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই গাছের কিছু খায়, সে যেন মাসজিদে না আসে। [১০১৬]