ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন সে মু’মিন থাকে না। এবং চোর যখন চুরি করে তখন সে মু’মিন থাকে না। [৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৫)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যিনাকারী যিনা করার সময় মু’মিন থাকে না। চোর চু্রি করার সময় মু’মিন থাকে না। মদপানকারী মদ পানের সময় মু’মিন থাকে না। তবে তারপরও তাওবাহ উন্মুক্ত।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩৫৪)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ব্যভিচারী ব্যভিচারে লিপ্ত হয় না ..... বাকী অংশ লুটতরাজের বর্ণনাসহ উপরোক্ত হাদিসের অনূরুপ। তবে এতে মূল্যবান সামগ্রী কথাটির উল্লেখ নেই। ইবনু শিহাব বলেন, সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ বাকরের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি النُّهْبَةَ ‘ছিনতাইয়ের’ কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১০৯; ই.সে. ১১১)
মারফূ’ সানাদে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ব্যভিচারী ব্যভিচারে লিপ্ত ……এরপর শু’বার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১৩; ই.সে. ১১৭)
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দা যখন ব্যভিচার করে, তখন সে ঈমানদার অবস্থায় ব্যভিচার করে না, আর যখন সে মদ্য পান করে, তখন ঈমানদার অবস্থায় মদ্য পান করে না, মু’মিন অবস্থায় চুরি করে না, আর মুমিন অবস্থায় কাউকে হত্যা করে না।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
। তিনি বলেছেনঃ যখন ব্যভিচারী ব্যভিচার করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না, আর যখন চোর চুরি করে তখন সে মুমিন অবস্থায় চুরি করে না, আর যখন কোন মদ্যপায়ী মদ পান করে তখন সে মুমিন অবস্থায় মদ পান করে না। এরপরও তওবার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ব্যভিচারী ব্যভিচারে লিপ্ত অবস্থায় ঈমানদার থাকে না। চোর চুরি করা কালে ঈমানদার থাকে না। মদ্যপায়ী তা পানরত অবস্থায় ঈমানদার থাকতে পারে না। এরপরও তাওবাহ্র ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।