যায়দ ইব্নু আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময়ে সালাতের মধ্যে কথা বলতাম। আমাদের যে কেউ তার সঙ্গীর সাথে নিজ দরকারী বিষয়ে কথা বলত। অবশেষে এ আয়াত নাযিল হল –حا فِظوا عَلى الصَّلَواتِ الاية “তোমরা তোমাদের সালাত সমূহের সংরক্ষণ কর ও নিয়মানুবর্তিতা রক্ষা কর; বিশেষ মধ্যবর্তী (‘আসর) সালাতে, আর তোমরা (সালাতে) আল্লাহ্র উদ্দেশে একাগ্রচিত্ত হও”- (সূরা আল-বাকারা ২/২৩৮)। অতঃপর আমরা সালাতে নীরব থাকতে আদেশপ্রাপ্ত হলাম।
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা সলাতের মধ্যে কথাবার্তা বলতাম আর আমাদের কেউ অন্য ভাইয়ের প্রয়োজন নিয়ে কথা বলতেন। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় ঃحَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ তখন আমাদেরকে চুপ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। [১২০০] (আ.প্র. ৪১৭৪, ই.ফা. ৪১৭৫)
যায়দ ইব্ন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর যামানায় তাঁর সঙ্গীর সাথে কোন প্রয়োজনে কথা বলছিল, তখন এ আয়াত নাযিল হলঃ حافِظوا عَلى الصَلَواتِ وَالصَلوةِ الوُسطَى وَقوموا للَّهِ قانِتينَ অর্থঃ তোমরা সালাতের প্রতি যত্নবান হবে, বিশেষত মধ্যবর্তী সালাতের এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে তোমরা বিনীতভাবে দাঁড়াবে (২ঃ ২৩৮)। তখন আমাদের (সালাতে) চুপ থাকতে আদেশ করা হল।
যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের কেউ সালাত আদায় অবস্থায়ই তার পাশের ব্যক্তির সাথে কথা বলতো। অতঃপর এ আয়াত নাযিল হয়ঃ “তোমরা আল্লাহর একান্ত অনুগত হয়ে (সালাত) দাঁড়াও” (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ২৩৮)। এ আয়াতে আমাদেরকে সালাত চুপ থাকতে আদেশ দেয়া হয় এবং কথাবার্তা বলতে নিষেধ করা হয়। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
যাইদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যামানায় আমরা নামাযের মধ্যে কথাবার্তা বলতাম। এ প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়ঃ “তোমরা আল্লাহ তা’আলার উদ্দেশে অনুগত সেবকের মত দাঁড়াও” – (সূরা আল –বাক্বারাহঃ ২৩৮)। এতদ্বারা আমাদেরকে (নামাযে) চুপ থাকার নির্দেশ দেয়া হল। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (৮৭৫)।