সহিহ বুখারী অঃ->সৃষ্টির সূচনা বাব->ইবলীস ও তার বাহিনীর বর্ণনা হাঃ-৩২৭৪

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সালাত আদায়ের সময় তোমাদের কারো সম্মুখ দিয়ে যখন কেউ চলাচল করবে তখন সে তাকে অবশ্যই বাধা দিবে। সে যদি অমান্য করে তবে আবারো তাকে বাধা দিবে। অতঃপরও যদি সে অমান্য করে তবে অবশ্যই তার সঙ্গে লড়াই করবে। কেননা সে শয়তান।


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->মুসল্লীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করা নিষেধ হাঃ-১০১৭

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন সলাত আদায় করে, সে যেন নিজের সামনে দিয়ে কাউকে আতিক্রম করতে না দেয়। যদি সে বিরত না হয়, তবে (সলাত আদায়কারী) তার (অতিক্রমকারীর) বিরুদ্ধে (লড়াই করবে) অস্ত্র ধারণ করবে। কেননা তার সাথে শাইতান রয়েছে। (ই.ফা. ১০১১, ই.সে. ১০২২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->মুসল্লীর সামনে দিয়ে কেউ অতিক্রম করলে তাকে বাধা দেয়া হাঃ-৬৯৭

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ সলাত আদায়কালে তার সামনে দিয়ে কাউকে যেতে দিবে না এবং সাধ্যমত যেন তাকে বাধা দেয়া হয়। সে বাধা উপেক্ষা করলে তার সাথে যুদ্ধ করবে। কারণ সে হচ্ছে একটা শাইত্বান। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সলাতীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে যথাসাধ্য বাধা দাও। হাঃ-৯৫৪

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের যে কেউ সালাত আদায় করতে চাইলে যেন সুতরা সামনে রেখে সালাত পড়ে এবং তার নিকটবর্তী হয়। সে যেন তার সামনে দিয়ে কাউকে অতিক্রম করতে না দেয়। অতএব যদি কেউ সামনে দিয়ে অতিক্রম করে, তাহলে সে যেন তার সাথে লড়াই করে। কারণ সে একটা শয়তান। [৯৫৪]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সলাতীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে যথাসাধ্য বাধা দাও। হাঃ-৯৫৪

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের যে কেউ সালাত আদায় করতে চাইলে যেন সুতরা সামনে রেখে সালাত পড়ে এবং তার নিকটবর্তী হয়। সে যেন তার সামনে দিয়ে কাউকে অতিক্রম করতে না দেয়। অতএব যদি কেউ সামনে দিয়ে অতিক্রম করে, তাহলে সে যেন তার সাথে লড়াই করে। কারণ সে একটা শয়তান। [৯৫৪]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সলাতীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে যথাসাধ্য বাধা দাও। হাঃ-৯৫৪

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের যে কেউ সালাত আদায় করতে চাইলে যেন সুতরা সামনে রেখে সালাত পড়ে এবং তার নিকটবর্তী হয়। সে যেন তার সামনে দিয়ে কাউকে অতিক্রম করতে না দেয়। অতএব যদি কেউ সামনে দিয়ে অতিক্রম করে, তাহলে সে যেন তার সাথে লড়াই করে। কারণ সে একটা শয়তান। [৯৫৪]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সলাতীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে যথাসাধ্য বাধা দাও। হাঃ-৯৫৫

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমাদের কেউ যখন সালাত পড়ে, তখন সে যেন তার সামনে দিয়ে কাউকে অতিক্রম করতে না দেয়। যদি সে অস্বীকার করে তবে সে যেন তার সাথে লড়াই করে। কেননা তার সাথে তার সহযোগী (শয়তান) রয়েছে। আল-হাসান বিন দাঊদ আল-মুনকাদিরী (রহঃ) বলেন, নিশ্চয় তার সাথে উয্‌যা (প্রতিমা) রয়েছে। [৯৫৫]


সুনান নাসাঈ অঃ->কিব্‌লা বাব->মুসল্লী ও তার সুতরার মাঝখান দিয়ে যাওয়া সম্পর্কে কঠোর বাণী হাঃ-৭৫৭

আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন সালাত আদায় করতে থাকে তাহলে সে যেন কাউকে তার সামনে দিয়ে যেতে না দেয়, যদি সে না মানে, তাহলে সে যেন শক্তি প্রয়োগ করে বাধা দেয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->নিজে প্রতিশোধ গ্রহণ করা হাঃ-৪৮৬২

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তিনি নামায পড়ছিলেন, এমন সময় মারওয়ানের পুত্র তাঁর সম্মুখে দিয়ে যাচ্ছিল। তিনি নিষেধ করা সত্ত্বেও সে মানলো না। তখন আবূ সাঈদ (রাঃ) তাকে মারলেন। সে কাঁদতে কাঁদতে মারওয়ানের নিকট গেল। মারওয়ান আবূ সাঈদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলোঃ আপনি আপনার ভাইয়ের ছেলেকে কেন মারলেন ? আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেনঃ আমি তাকে মারিনি বরং শয়তানকে মেরেছি। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যদি তোমাদের কারো নামায পড়ার সময় তোমাদের সামনে দিয়ে কেউ অতিক্রম করতে চায়, তবে যতটুকু সম্ভব তাকে বাধা দেবে। যদি সে না মানে, তবে তার সাথে যুদ্ধ করবে; কেননা সে শয়তান।