‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি সাবালক হবার নিকটবর্তী বয়সে একদা একটি গাধীর উপর আরোহিত অবস্থায় এলাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মিনায় সালাত আদায় করছিলেন তাঁর সামনে কোন দেয়াল না রেখেই। তখন আমি কোন এক কাতারের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলাম এবং গাধীটিকে বিচরণের জন্য ছেড়ে দিলাম। আমি কাতারের ভেতর ঢুকে পড়লাম কিন্তু এতে কেউ আমাকে নিষেধ করেননি। (৪৯৩, ৮৬১, ১৮৫৭, ৪৪১২; মুসলিম ৪/৪৭ হাঃ ৫০৪, আহমাদ ১৮৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭৬)
আবদুল্লাহ্ ইব্নু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি একটা মাদী গাধার উপর সওয়ার হয়ে এলাম, তখন আমি ছিলাম সাবালক হবার নিকটবর্তী। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে দেয়াল ব্যতীত অন্য কিছুকে সুতরা বানিয়ে মিনায় লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন। কাতারের কিছু অংশ অতিক্রম করে আমি সওয়ারী হতে অবতরণ করলাম। গাধীটিকে চরাতে দিয়ে আমি কাতারে শামিল হয়ে গেলাম। আমাকে কেউই এ কাজে বাধা দেয়নি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৯)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একটি গাধার উপর আরোহণ করে অগ্রসর হলাম। তখন আমি প্রায় বয়ঃপ্রাপ্ত। এ সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় প্রাচীর ব্যতীত অন্য কিছু সামনে রেখে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন। আমি কোন এক কাতারের সম্মুখ দিয়ে অগ্রসর হয়ে এক জায়গায় নেমে গেলাম এবং গাধাটিকে চরে বেড়ানোর জন্য ছেড়ে দিলাম। অতঃপর আমি কাতারে ঢুকে পড়লাম। আমার এ কাজে কেউ আপত্তি করলেন না।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বালিগ হওয়ার কাছাকাছি বয়সে একটি মাদী গাধার পেঠে সওয়ার হয়ে মিনায় আসলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের সলাত আদায় করাচ্ছিলেন। আমি একটি কাতারের সামনে দিয়ে অতিক্রম করে গাধীর পিঠ থেকে নামলাম এবং সেটিকে ঘাস খাওয়ার জন্যে ছেড়ে দিয়ে কাতারে শামিল হলাম। এ সময় কেউ আমাকে এ ব্যাপারে নিষেধ করেনি। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন এটা হলো কা’নাবীর বর্ণনা। এটাই পূর্নাঙ্গ। ইমাম মালিক (রহঃ) বলেন, ইমামের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে সলাতের ক্ষতি হয়, কিন্তু কাতারের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে কোন ক্ষতি নেই। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।