সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->মসজিদে হালকা রাঁধা ও বসা হাঃ-৪৭২

ইব্‌নু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বারে ছিলেন- আপনি রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বলেনঃ দু’রাক’আত দু’রাক’আত করে আদায় করবে। যখন তোমাদের কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় তখন সে আরো এক রাক’আত আদায় করে নিবে। আর এটি তার পূর্ববর্তী সালাতকে বিত্‌র করে দেবে। [নাফি (রহঃ) বলেন] ইব্‌নু উমর (রাঃ) বলতেনঃ তোমরা বিত্‌রকে রাতের শেষ সালাত হিসেবে আদায় কর। কেননা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ নির্দেশ দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৫৮)


সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->মসজিদে হালকা রাঁধা ও বসা হাঃ-৪৭৩

ইব্‌নু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট এমন সময় আসলেন যখন তিনি খুত্‌বা দিচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে হয়? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দু’রাক’আত দু’রাক’আত করে আদায় করবে। আর যখন ভোর হবার আশঙ্কা করবে, তখন আরো এক রাক’আত আদায় করে নিবে। সে রাক’আত তোমরা পূর্বের সালাতকে বিত্‌র করে দিবে। ওয়ালীদ ইব্‌ন কাসীর (রহঃ) বলেনঃ উবাইদুল্লাহ ইব্‌নু আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) আমার নিকট বলেছেন যে, ইব্‌নু উমর (রাঃ) তাঁদের বলেছেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে সম্বোধন করে বললেন, তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৫৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাত্রিকালের সলাত দু' দু' রাক‘আত, আর রাত্রির শেষে এক রাক‘আত বিতর হাঃ-১৬৩৩

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাতের সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ রাতের সলাত দু‘ দু‘ রাক‘আত করে আদায় করবে। যখন ভোর হওয়ার সম্ভাবনা দেখবে তখন এক রাক‘আত সলাত আদায় করে নিবে। যে সলাত আদায় করেছে এভাবে তা বিতরে পরিণত হবে। (ই.ফা. ১৬১৮, ই.সে. ১৬২৫)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->রাতের সলাত দু’ দু’ রাক’আত করে হাঃ-১৩২৬

‘আবদুল্লা ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা কতিপয় লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে রাতের সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে বলেন, রাতের সলাত হচ্ছে দু’ দু’ রাক’আত করে। তোমাদের কেউ সুবহি সাদিকের আশংকা করলে পূর্বে যেটুকু সলাত আদায় করেছে তা বিতর করতে এক রাক’আত সলাত আদায় করে নিবে। সহীহঃ বুখারি ও মুসলিম


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রাতে সালাত দু’ রাকাত করে পড়বে। হাঃ-১৩১৯

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রাতের (নফল) সালাত দু’ রাকআত করে পড়বে। [১৩১৯]


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->রাত্রের সালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৭৩

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাতের একটি রাকআত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৯৪

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, রাত্রের সালাত হল দু’রাকআত, দু’রাকআত। যখন তোমাদের কেউ ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত আদায় করে নেবে, যা (তার পূর্বে আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে দেবে।