সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->ফাজরের সলাতের কিরাআত হাঃ-৯১৬

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাতে “ওয়াল্‌ লাইলি ইযা- ইয়াগ্‌শা-” (সূরাহ্‌ আল লায়ল ৯২ : ১) পাঠ করতেন এবং ‘আস্‌রের সলাতেও অনুরূপ কোন সূরাহ্‌ পাঠ করতেন। ফাজরের সলাতে তিনি এর চেয়ে দীর্ঘ সূরাহ্‌ পাঠ করতেন। (ই. ফা. ৯১১, ই. সে. ৯২৩)


সুনান নাসাঈ অঃ->জুমু’আ বাব->জুমু‘আর জন্য আযান দেওয়া হাঃ-১৩৯২

ইব্‌ন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার কাছে সাইব ইব্‌ন ইয়াযীদ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর এবং উমর (রাঃ)-এর যুগে জুমু‘আর দিনে প্রথম আযান ছিল যখন ইমাম জুমু‘আর দিনে মিম্বরের উপর বসতেন। উসমান (রাঃ)-এর খিলাফতের যুগে মানুষের সংখ্যা যখন বেড়ে গেল, তখন উসমান (রাঃ) জুমু‘আর দিনে তৃতীয় আযানের নির্দেশ দিলেন, এবং সর্বপ্রথম সে আযান যাওরা নামক স্থানে দেওয়া হয়েছিল। তারপর (অত্র) আযানের উপর এই আদেশ বলবৎ রয়ে গেল।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->জুমু’আহর সালাতের আযান হাঃ-১০৮৭

আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাক্‌র এবং ‘উমার (রাঃ) এর যুগে জুমু’আহর প্রথম আযান দেয়া হত ইমাম মিম্বরে বসলে। কিন্তু ‘উসমান (রাঃ) এর খিলাফাতের সময় জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি জুমু’আহর সালাতের জন্য তৃতীয় আযানের নির্দেশ দেন। এ আযান সর্বপ্রথম (মাদীনাহ্‌র) আয-যাওয়া নামক স্থানে দেয়া হয়। এরপর থেকেই এ নিয়ম বহাল হয়ে যায়। সহীহঃ বুখারী।