সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর বর্ণনা। হাঃ-৩৫৬৪

‘আবদুল্লাহ্ ইবন মালিক ইবন বুহায়নাহ আসাদিইয়ি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‎যখন সাজদাহ্ করতেন, তখন উভয় বাহুকে শরীর হতে এমনভাবে আলাদা করতেন যে, আমরা তাঁর বগল দেখতে পেতাম। ইব্‌ন বুকাইর ‎বলেন, বক্র হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেতাম।


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->সলাতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য - যা দিয়ে সলাত শুরু এবং শেষ করতে হবে; রুকু’র বৈশিষ্ট এবং এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; সাজদার বৈশিষ্ট্য ও এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; চার রাক‘আত বিশিষ্ট সলাতে প্রতি দু’রাক’আত অন্তর তাশাহ্‌হুদ পাঠ; দু’সাজদার মাঝখানে বসা এবং প্রথম বৈঠকের বর্ণনা। হাঃ-৯৯২

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নে মালিক ইবনু বুহাইনাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করার সময় দু’হাত (পাঁজর থেকে) এমনভাবে ফাঁকা রাখতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত। (ই.ফা. ৯৮৬, ই.সে. ৯৯৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতে ভুল-ত্রুটি হওয়া এবং এর জন্য সাহু সাজদাহ্ দেয়া হাঃ-১১৫৭

‘আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়নাহ্ আল আসদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাতে (দু’ রাকা’আতের পর) না বসেই দাঁড়িয়ে গেলেন সলাত শেষ করে, অর্থাৎ- সলাতের শেষ পর্যায়ে তিনি সালাম ফিরানোর পূর্বে ভুলে যাওয়া বৈঠকের পরিবর্তে বসে বসেই দু’টি সাজদাহ্ করলেন এবং প্রতিটি সাজদাতেই তাকবীর বললেন। লোকজন সবাই তার সাথে সাথে সাজাদাহ্ দু’টি করলেন। (ই.ফা. ১১৫০, ই.সে. ১১৫৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সিজদা করার নিয়ম হাঃ-১১০৬

আবদুল্লাহ ইব্‌ন মালিক ইব্‌ন বুহায়না (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাত আদায় করতেন তখন তাঁর হাতদ্বয় এমনভাবে পৃথক রাখতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা প্রকাশ পেত।