সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহর প্রতি যতটুকু মর্যাদা দেয়া উচিত ছিল, তারা তা দেয়নি। (সূরাহ যুমার ৩৯/৬৭) হাঃ-৪৮১১

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইয়াহূদী আলিমদের থেকে এক আলিম রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আমরা (তাওরাতে দেখতে) পাই যে, আল্লাহ্ তা‘আলা আকাশসমূহকে এক আঙ্গুলের উপর স্থাপন করবেন। যমীনকে এক আঙ্গুলের উপর, বৃক্ষসমূহকে এক আঙ্গুলের উপর, পানি এক আঙ্গুলের উপর, মাটি এক আঙ্গুলের উপর এবং অন্যান্য সৃষ্টি জগত এক আঙ্গুলের উপর স্থাপন করবেন। তারপর বলবেন, আমিই বাদশাহ। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা সমর্থনে হেসে ফেললেন; এমনকি তাঁর সামনের দাঁত প্রকাশ হয়ে পড়ে। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠ করলেন, তারা আল্লাহ্কে যথোচিত মর্যাদা দান করে না। [৭৪১৪, ৭৪১৫, ৭৪৫১, ৭৫১৩; মুসলিম ৫০/হাঃ ২৭৮৬, আহমাদ ৪৩৬৮] (আ.প্র. ৪৪৪৭, ই.ফা. ৪৪৪৮)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ যাকে আমি নিজ হাতে সৃষ্টি করেছি। [২১১] (সূরা সোয়াদ ৩৮/৭৫) হাঃ-৭৪১৪

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মদ! আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিনে আসমানগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, যমীনগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, পর্বতগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, গাছগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর এবং বাকী সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলের ওপর তুলে বলবেন, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত প্রকাশিত হল। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ তারা আল্লাহ্ তা’আলার যথোচিত মর্যাদা উপলব্ধি দেয়নি। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ বলেন, এ বর্ণনায় একটু যোগ করেছেন ফুদায়ল ইব্‌নু আয়ায... আবিদাহ (রহঃ) সূত্রে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে যে, এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিস্মিত হয়ে তার সমর্থনে হেসে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৯)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ যাকে আমি নিজ হাতে সৃষ্টি করেছি। [২১১] (সূরা সোয়াদ ৩৮/৭৫) হাঃ-৭৪১৫

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহ্‌লে কিতাবদের এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, হে আবুল কাসিম! (ক্বিয়ামাতের দিন) আল্লাহ্ আসমানগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, যমীনগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, বৃক্ষ ও কাদামাটিকে এক আঙ্গুলের ওপর এবং বাকি সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলের ওপর তুলে বলবেন, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই। বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখতে পেলাম নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে ফেললেন। এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁতগুলো প্রকাশিত হয়ে পড়ল। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ আর তারা আল্লাহ্ তা’আলার যথাযোগ্য মর্যাদা উপলব্ধি করতে পারে নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১০)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিয়ামত, জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা বাব->কিয়ামত সম্পর্কে হাঃ-৬৯৩৯

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা এক ইয়াহূদী পাদরী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে সম্বোধন করে বলল, হে মুহাম্মাদ! অথবা (বলল) হে আবুল কাসিম! “কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা‘আলা আকাশমণ্ডলীকে এক আঙ্গুলে, জমিনসমূহকে এক আঙ্গুলে, পাহাড় ও গাছপালাকে এক আঙ্গুলে; পানি ও মাটি এক আঙ্গুলে এবং সকল প্রকার সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলে তুলে ধরবেন। তারপর এগুলো দুলিয়ে বলবেন, আমিই বাদশাহ্‌, আমিই অধিপতি”। পাদ্‌রীর কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিস্ময়ের সাথে তার সত্যায়ন স্বরূপ হাসলেন। অতঃপর তিনি পাঠ করলেনঃ (অর্থ) “তারা আল্লাহর যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করেনি। কিয়ামাতের দিন সমস্ত পৃথিবী তাঁর হাতের মুষ্ঠিতে এবং আকাশমণ্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতের মুঠোয়। পবিত্র ও মহান তিনি, তারা যাকে অংশীদার স্থাপন করে, তিনি তার থেকে অনেক উর্ধ্বে” - (সূরাহ্‌ আয্‌ যুমার ৩৯ : ২৭)। (ই.ফা. ৬৭৮৯, ই.সে. ৬৮৪৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিয়ামত, জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা বাব->কিয়ামত সম্পর্কে হাঃ-৬৯৪০

মানসূর (রহঃ) থেকে উক্ত সূত্র থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ইয়াহূদী পাদরী লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলো, পরবর্তী অংশ ফুযায়ল-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে তিনি ‘এগুলো দুলিয়েছেন’ কথাটির উল্লেখ করেননি। এতে এ-ও রয়েছে যে, তার কথায় বিস্মিত হয়ে তার সত্যায়নে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি এমনভাবে হাসতে দেখেছি যে, তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিল। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেন, (অর্থ) “তারা আল্লাহর যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করেনি” ..... পূর্ণ আয়াত তিলাওয়াত করেন। (ই.ফা. ৬৭৯০, ই.সে. ৬৮৪৪)