আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আমরা সর্বশেষ আগমনকারী (পৃথিবীতে) সর্বাগ্রে প্রবেশকারী (জান্নাতে)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আর এ সনদেই বর্ণিত হয়েছে যে, (রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন,) যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলারই আনুগত্য করল আর যে ব্যক্তি আমার নাফরমানী করল, সে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলারই নাফরমানী করল। আর যে ব্যক্তি আমীরের আনুগত্য করল, সে ব্যক্তি আমারই আনুগত্য করল আর যে ব্যক্তি আমীরের নাফরমানী করল সে ব্যক্তি আমারই নাফরমানী করল। ইমাম তো ঢাল স্বরূপ। তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধ এবং তাঁরই মাধ্যমে নিরাপত্তা অর্জন করা হয়। অতঃপর যদি সে আল্লাহ্র তাকওয়ার নির্দেশ দেয় এবং সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, তবে তার জন্য পুরষ্কার রয়েছে আর যদি সে এর বিপরীত করে তবে এর মন্দ পরিণাম তার উপরই বর্তাবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমরা (দুনিয়াতে) সর্বশেষ ও (আখিরাতে) সর্বপ্রথম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪২১)
উক্ত হাদীসের সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ যদি কেউ তোমার ঘরে তোমার অনুমতি ব্যতীত উঁকি মারে আর তুমি পাথর মেরে তার চক্ষু ফুটা করে দাও, তাতে তোমার কোন গুনাহ্ হবে না। [৬৭০২; মুসলিম ৩৮/৯, হাঃ ২১৫৮, আহমাদ ১৯৫৩০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪২২)