সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সিয়ামের ফাযীলাত হাঃ-২৫৯৭

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “মানব সন্তানের প্রতিটি নেক কাজের সাওয়াব দশ গুন থেকে সাতশ’ গুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়। মহান আল্লাহ্‌ বলেন, “কিন্তু সিয়াম আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিফল দান করব। বান্দা আমারই জন্য নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং পানাহার পরিত্যাগ করেছে।” সিয়াম পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দ আছে। একটি তার ইফত্বারের সময় এবং অপরটি তার প্রতিপালক আল্লাহ্‌র সাথে সাক্ষাতের সময়। সিয়াম পালনকারীর মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ্‌ তা’আলার কাছে মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধময়। (ই.ফা. ২৫৭৪, ই.সে. ২৫৭৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সিয়ামের ফাযীলাত হাঃ-২৫৯৮

আবূ হুরায়রাহ্ ও আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, “সিয়াম আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিফল দান করব।” সিয়াম পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে। একটি হলো যখন সে ইফত্বার করে আনন্দিত হয়, অপরটি হলো যখন সে মহান আল্লাহ্‌র সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন সে আনন্দিত হবে। সে মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন! নিশ্চয়ই সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহ্ তা’আলার কাছে মিশ্কের সুগন্ধের চেয়েও তীব্র। [৮] (ই.ফা. ২৫৭৫, ই.সে. ২৫৭৪)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->সিয়াম বা রোযার ফযিলত। হাঃ-১৬৩৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌র মর্জি হলে আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকাজের প্রতিদান দশ গুণ থেকে সাত শত গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। আল্লাহ্‌ বলেন, তবে সিয়াম ব্যতীত, তা আমার জন্যই (রাখা হয়) এবং আমিই তার প্রতিদান দিবো। সে তার প্রবৃত্তি ও পানাহার আমার জন্যই ত্যাগ করে। রোযাদারের জন্য দু’টি আনন্দঃ একটি আনন্দ তার ইফতারের সময় এবং আরেকটি আনন্দ রয়েছে তার প্রভু আল্লাহ্‌র সাথে তার সাক্ষাতের সময়। রোযাদার ব্যক্তির মুখের গন্ধ আল্লাহ্‌র নিকট কস্তুরীর ঘ্রাণের চেয়েও অধিক সুগন্ধময়। [১৬৩৮]


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সিয়াম পালনের ফযীলত, এ প্রসঙ্গে আলী ইব্‌ন আবু তালিব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় পার্থক্য হাঃ-২২১১

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ সাওম (রোযা) আমারই জন্য আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে -যখন সে ইফতার করে এবং যখন সে তার রবের সাথে (আল্লাহ তা’আলার) সাথে সাক্ষাৎ করবে, ঐ সত্তার শপথ যাঁর কুদরতী হস্তে আমার জীবন রয়েছে সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্শত) মুখের দূর্গ্নন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট মিশকের সুগন্ধি থেকে অধিক পছন্দনীয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সিয়াম পালনের ফযীলত, এ প্রসঙ্গে আলী ইব্‌ন আবু তালিব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় পার্থক্য হাঃ-২২১২

আবূল আহওয়াস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ সাওম (রোযা) আমারই জন্য আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে- একটি যখন সে তার রবের (প্রভুর) সাথে সাক্ষাৎ করবে আর দ্বিতীয়টি তার ইফতারের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট মিশকের সুগন্ধি থেকে অধিক পছন্দনীয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ হাদীসের বর্ণনায় আবূ সালিহ (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্যের উল্লেখ হাঃ-২২১৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে কোন নেককাজ আদম সন্তান করে না কেন তার জন্য দশ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করে সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। কিন্তু আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ সাওম (রোযা) ব্যতীত, যেহেতু সাওম (রোযা) আমারই জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দিব। সাওম (রোযা) পালনকারী আমারই কারণে স্বীয় কামভাব এবং পানাহার পরিত্যাগ করে। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য সাওম (রোযা) ঢাল স্বরূপ। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে- তার ইফতারের সময় এবং তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার কাছে কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।