আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কখনো এ কথা বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে দয়া করুন। বরং দৃঢ় আশা নিয়ে দু'আ করবে। কারণ আল্লাহ্কে বাধ্য করার কেউ নেই।[৭৪৭৭; মুসলিম ৪৮/৩, হাঃ ২৬৭৯, আহমাদ ৯৯৭৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যেন কখনো এ কথা না বলে যে, “হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে মাফ করুন, হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমার প্রতি রহ্মাত করুন।” সে যেন অবশ্যই দৃঢ়তার সাথে দু‘আ প্রার্থনা করে। কেননা, আল্লাহ তা‘আলা মহান কারিগর, তিনি যা চান তাই করেন। তার উপর বাধ্যবাধকতা করার কেউ নেই। (ই.ফা. ৬৫৬৯, ই.সে. ৬৬২৩)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, হে আল্লাহ! তোমরা ইচ্ছা হলে আমার প্রতি অনুগ্রহ করো। বরং যা চাওয়ার দৃঢ়তার সাথে চাইবে। কেননা তাঁর উপর কারোর প্রভাব চলে না। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এভাবে না বলে : ‘‘হে আল্লাহ্ তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো’’, বরং সে যেন পূর্ণ দৃঢ়তা সহকারে কামনা করে। কেননা কোন কাজই আল্লাহ্র জন্য বাধ্যতামূলক নয়। [৩১৮৬]
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এভাবে না বলে, “ হে আল্লাহ্ ! তুমি চাইলে আমাকে মাফ কর। হে আল্লাহ্! তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া কর”। বরং সে যেন পূর্ণ দৃঢ়তার সঙ্গে কামনা করে। কেননা আল্লাহ্ তা’আলার উপর জবরদস্তকারী কেউ নাই। সহীহ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৫৪), বুখারি ও মুসলিম।