সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহর বাণীঃ হাঃ-৪৫৬৯

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আমার খালা মাইমূনাহ (রাঃ)-এর কাছে রাত কাটিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর পরিবারবর্গের সঙ্গে কিছুক্ষণ আলাপ-আলোচনা করে শুয়ে পড়লেন। তারপর রাত্রির শেষ তৃতীয়াংশে তিনি উঠলেন এবং আসমানের দিকে তাকিয়ে পাঠ করলেন- إِنَّفِيخَلْقِالسَّمَوَاتِوَالأَرْضِوَاخْتِلاَفِاللَّيْلِوَالنَّهَارِلَآيَاتٍلِأُولِيالأَلْبَابِ। এরপর দাঁড়ালেন এবং উযূ করে মিসওয়াক করে এগার রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। এরপর বিলাল (রাঃ) আযান দিলে তিনি দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। তারপর বের হলেন এবং ফাজ্রের সলাত আদায় করলেন। [১১৭] (আ.প্র. ৪২০৮, ই.ফা. ৪২১১)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->আস্মানের দিকে চোখ তোলা। মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “(ক্বিয়ামাত হবে একথা যারা অমান্য করে) তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না, (সৃষ্টি কুশলতায় ভরপুর ক’রে) কীভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে? এবং আসমানের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে উঠানো হয়েছে?” (সূরা আল-গাশিয়াহ ৮৮/১৭-১৮) হাঃ-৬২১৫

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক রাতে মাইমূনাহ (রাঃ) -এর ঘরে অবস্থান করছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও তাঁর গৃহে ছিলেন। যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অথবা কিয়দংশ বাকী ছিল তখন তিনি উঠে বসলেন এবং আসমানের দিকে তাকিয়ে পাঠ করলেনঃ “নিশ্চয়ই আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে এবং রাত্র ও দিনের আবর্তনে জ্ঞানবানদের জন্য বহু নিদর্শন আছে।” (সূরাহ আল ‘ইমরান ৩/১৯০)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাত্রিকালীণ সলাতে দু‘আ ও ক্বিয়াম হাঃ-১৬৮৩

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একরাতে আমার খালা [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী] মায়মূনাহ্-এর ঘরে ঘুমালেন। উক্ত রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে কিভাবে সলাত আদায় করেন তা দেখা ছিল আমার উদ্দেশ্য। 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস বলেছেনঃ তিনি তাঁর স্ত্রীর সাথে কিছুক্ষন কথাবার্তা বললেন এবং তারপর ঘুমিয়ে পড়লেন। .......এতটুকু বলার পর পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে এতে এতটুকু কথা অধিক আছে যে, তিনি উঠে ওযূ ও মিসওয়াক করলেন। (ই.ফা. ১৬৬৮, ই.সে. ১৬৭৫)