সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->খাইবার [৪৭]-এর যুদ্ধ হাঃ-৪২০৫

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলাম ......। ('আবদুল্লাহ) ইবনু মুবারাক হাদীসটি ইউনুস-'যুহরী-সা'ঈদ [ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ)] সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। সালিহ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) থেকে ইবনু মুবারাক (রাঃ)-এর মতই বর্ণনা করেছেন। আর যুবাইদী (রহঃ) যুহরী, 'আবদুর রহমান ইবনু কা'ব, 'উবাইদুল্লাহ ইবনু কা'ব (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবারে অংশগ্রহণকারী জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। (যুবাইদী আরো বলেন) যুহরী (রহঃ) এ হাদীসটিকে 'উবাইদুল্লাহ ইবনু 'আবদুল্লাহ এবং সা'ঈদ (ইবনুল মুসাইয়্যাব) (রহঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৩০৬২] (আ.প্র. ৩৮৮৩, ই.ফা. ৩৮৮৬)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->উঁচু স্থানে আরোহণের সময় দু‘আ। হাঃ-৬৩৮৪

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলাম। যখন আমরা উঁচু স্থানে আরোহণ করতাম তখন উচ্চৈঃস্বরে ‘আল্লাহু আকবার’ বলতাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে লোকেরা! তোমরা নিজেদের জানের উপর দয়া করো। কারণ তোমরা কোন বধির অথবা অনুপস্থিতকে আহ্বান করছ না বরং তোমরা আহ্বান জানাচ্ছ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টাকে। কিছুক্ষণ পর তিনি আমার কাছে এলেন, তখন আমি মনে মনে পড়ছিলামঃ ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’। তখন তিনি বলেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! তুমি পড়বে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’। কারণ এ দু‘আ হলো জান্নাতের রত্ন ভাণ্ডারগুলোর একটি। অথবা তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাকে এমন একটি কথার সন্ধান দেব না যে কথাটি জান্নাতের রত্ন ভাণ্ডার? তাত্থেকে একটি রত্নভাণ্ডার হলো ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৯)


সহিহ বুখারী অঃ->তাক্‌দীর বাব->‘আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন শক্তি ও ক্ষমতা নেই প্রসঙ্গে হাঃ-৬৬১০

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখনই কোন উঁচুস্থানে আরোহণ করতাম, কোন উঁচুতে থাকতাম এবং কোন উপত্যকা অতিক্রম করতাম তখনই উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর বলতাম। রাবী বলেন অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকটবর্তী হলেন এবং বললেনঃ ওহে লোকেরা! তোমরা নিজেদের উপর রহম কর। তোমরা কোন বধির বা কোন অনুপস্থিত সত্ত্বাকে ডাকছ না বরং তোমরা ডাকছ শ্রবণকারী ও দর্শনকারী সত্ত্বাকে। এরপর তিনি বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু কায়স! তোমাকে আমি কি এমন একটি কথা শিখিয়ে দিব না, যা হল জান্নাতের ভান্ডারসমূহের অন্যতম? তা হল- لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ। ]২৯৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৭


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->যিক্‌র নিম্নস্বরে করা মুস্তাহাব হাঃ-৬৭৫৫

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তখন মানুষেরা উচ্চৈঃস্বরে তাক্বীর পাঠ করতেছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মানবজাতি! তোমরা জীবনের উপর সদয় হও। কেননা তোমরা তো কোন বধির অথবা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছো না। নিশ্চয়ই তোমরা ডাকছো সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী সত্তাকে যিনি তোমাদের সাথেই আছেন। আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর পিছে ছিলাম। তখন আমি বলছিলাম, আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কোন ভাল কাজের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এবং মন্দ কর্ম থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য নেই। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আমি কি তোমাকে জান্নাতের গুপ্তধনসমূহের মধ্যে কোন একটি গুপ্তধনের কথা জানিয়ে দিব? আমি বললাম, অবশ্যই হে আল্লাহর রসূল! অতঃপর তিনি বললেন, তুমি বলো, (আরবী) “লা- হাওলা ওয়ালা- কূওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ”, অর্থাৎ- ‘আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কারো (ভাল কর্মের দিকে) এগিয়ে যাওয়া এবং (খারাপ কর্ম থেকে) ফিরে আসার সামর্থ্য নেই’। (ই.ফা. ৬৬১৬, ই.সে. ৬৬৭০)